কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা এখন আর শুধু পাড়া-মহল্লায় আধিপত্য বিস্তার, মারামারির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ছিনতাই, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদক কারবারসহ স্থানীয় পর্যায়ে প্রভাব বিস্তারেও কিশোরদের ব্যবহার করা হচ্ছে। তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে শাসক দলের কতিপয় নেতা। সম্প্রতি আলোচিত কিছু হামলা ও দখলবাজির ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়েরও সম্পৃক্ততার তথ্য উঠে এসেছে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে। রাজনৈতিক নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে থাকার কারণে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। এমনকি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও নেতাদের অপকর্ম এড়িয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি পুলিশের একটি বিশেষ ইউনিট গোপন বার্তায় বলেছে, এসব রাজনৈতিক দুর্বৃত্তকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সরকারের বদনাম বাড়তেই থাকবে। দিনে দিনে জনপ্রিয়তা কমবে। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের দিয়ে বিএনপির কিছু নেতাকর্মী দখলসহ বিভিন্ন স্থানে অপকর্ম করাচ্ছে। শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলেও আছে তাদের প্রভাব। গ্যাংয়ের বিস্তার এবং চাঁদাবাজি-দখলবাজির সঙ্গে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে। বিশেষ করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় কিশোরদের ব্যবহার করে স্থানীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠা এবং অর্থ আদায়ের অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। বার্তাটি সরকারের হাইকমান্ডের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ঢাকাসহ সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রকাশ্যে ছিনতাই, ডাকাতি, হামলা, ধর্ষণসহ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঘটনায় পুরো দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা হচ্ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকার আদাবর, মিরপুরের এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে লুটপাট, ভাঙচুর ও ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তা ছাড়া শাসক দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের হাত থাকায় পুলিশ পড়েছে ‘কিছুটা বিপাকে’। এতে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে টিআইবি। ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন বিষয় নয়, বরং সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের জন্য অশনিসংকেত উল্লেখ করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ সারা দেশে দলের আত্মশুদ্ধি অভিযানের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
ঘুরে দাঁড়ানো নিয়ে পুলিশের ভেতরেই আলোচনা : অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর এবং বর্তমান সরকারের সাত মাস পরও পুলিশ পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে কি না এমন আলোচনা পুলিশ বাহিনীর ভেতরেও চলছে। মাঠপর্যায়ে দ্রুত আইন কার্যকর নিয়ে অনেক স্থানে পুলিশের মধ্যে বিরোধ দেখা যাচ্ছে। কিছু অপরাধ কর্মকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার অনেক পর ঘটনাস্থলে যাচ্ছে পুলিশ। অনেক জায়গায় আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। কেউ মব তৈরি করে পরিস্থিতি পাল্টাতেও চাচ্ছেন। পূর্ণ মনোবল নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা বা মানুষের আস্থার জায়গায় যেতে পারছে না পুলিশ। বাহিনীর ভেতরেও নানা বিভাজন থাকায় প্রভাব পড়ছে মাঠে। কিছু ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা ও অন্য সদস্যদের সঙ্গে অপরাধীদের ঘনিষ্ঠতার বিষয়টিও আলোচনায় আসছে।
ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতির জোর চেষ্টা চলছে। থানাগুলোকে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় পুুলিশের টহল বাড়াতে হবে। সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতেই হবে। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত টহলেই থাকতে হবে। একই কথা বলেন পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অপারেশন) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি করতে বেশ কিছু নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। এলাকায় পুলিশের টহল বৃদ্ধি করতে বলা হয়েছে। থানায় জনবল বা যানবাহন সংকট থাকলে পুলিশ সদর দপ্তরকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
সরকারি জায়গা দখল করে রাজনৈতিক কার্যালয় : এ প্রসঙ্গে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রতিদিনই খুনখারাবি হচ্ছে। চাঁদাবাজি ও দখলের ঘটনা আগের চেয়ে বেড়েছে। মবের ঘটনাও কমেনি। বিএনপির স্থানীয় কতিপয় নেতা কিশোর গ্যাংকে ব্যবহার করে এসব অপকর্ম চালাচ্ছে। পাড়া-মহল্লায় সরকারি জায়গা দখল করে ‘রাজনৈতিক দলের’ জন্য ঘর তৈরি করে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের নিয়ে আড্ডাবাজি ও অপরাধ কর্মকা- হচ্ছে। ওইসব নেতার তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ছিনতাইয়ের ঘটনা তো দিনের বেলাতেই হচ্ছে। সব মিলিয়ে আমরা আছি উদ্বেগের মধ্যে। যেসব এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি হবে, সেখানে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের ধরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ভেতরেও শুদ্ধি অভিযান চালানোর কাজ শুরু হয়েছে।
নেতাদের ছায়ায় কিশোরদের উৎপাত : সারা দেশেই বিশেষ করে রাজধানীজুড়ে কিশোর গ্যায়ের উৎপাত বেড়ে গেছে। বিশেষত তারা বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত, বাজার, পরিবহন স্ট্যান্ড, নির্মাণকাজ, জমি এবং স্থানীয় ব্যবসাকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি করছে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ২৭৮ জনকে অপরাধের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে প্রায় সবাই শাসক দলের নেতা। নেতাদের ছায়া থাকায় পুলিশও আছে কিছুটা বিপাকে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য কিশোর গ্যাং এখন পুলিশের উদ্বেগেরও বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডিএমপি ইতিমধ্যে চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি, অবৈধ অস্ত্রধারী ও অন্যান্য অপরাধী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে সমন্বিত অভিযান চালানোর কথা জানিয়েছে। অপরাধজগতে কিশোর গ্যাং এখন আর বিচ্ছিন্ন কোনো সামাজিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে না।
রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের ধরার নির্দেশ : চাঁদাবাজ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী তালিকা তৈরির উদ্যোগের কথা পুলিশের একটি বৈঠকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। পুলিশের সবকটি ইউনিট প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, সারা দেশে নিরপেক্ষভাবে অপরাধী ও চাঁদাবাজদের তালিকা ধরে অভিযান চালাতে হবে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের ধরতে হবে। কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। বৈঠকে পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, অপরাধ কর্মকা-ে কিশোরদের ব্যবহার করে প্রাপ্তবয়স্ক অপরাধী বা প্রভাবশালী ব্যক্তিরা আড়ালে থাকার সুযোগ নিচ্ছে। পুলিশের তালিকায় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নাম এসেছে। কিশোর গ্যাংকে তালিকাভুক্ত নেতারা সহায়তা করছে। নেতাদের আশ্রয়ে ওরা ছিনতাই, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদক কারবার, ভাড়াটে হামলা এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রভাব বিস্তারের মতো কর্মকাণ্ডেও জড়িয়ে পড়ছে।
কী আছে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে : কয়েকটি আলোচিত ঘটনা নিয়ে পুলিশের একটি বিশেষ ইউনিটের তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে দলবদ্ধভাবে হামলা হচ্ছে। তাও আবার রাতের বেলায়। মিরপুরের রাড্ডার ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে। প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে আনুমানিক দেড়শ লোক তা-ব চালিয়ে একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা ভবন গুঁড়িয়ে দেয়। ঘটনা জানার অনেক পরে সেখানে পুলিশ পৌঁছালেও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি। জায়গা দখল করতেই এ হামলা হয়। দেড়শ লোকের মধ্যে অন্তত ৫০ জনই ছিল কিশোর। এই হামলার সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির নেতা ও সমর্থকরা জড়িত।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চাঁদার জন্য আদাবরে শনিবার সকালে এক বাড়িতে ১৫-২০ জনের একটি সশস্ত্র গ্রুপ হামলে পড়ে। এখানেও কিশোরদের ছায়া ছিল এবং শাসক দলের স্থানীয় দুই নেতার প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা আছে। হামলার আগে সন্ত্রাসীরা বাড়িটি ‘রেকি’ করে। বাড়ির মালিক আমিনুর রহমান খানের ভাতিজা মনির হোসেন জানিয়েছেন, হামলাকারীরা বাড়ির মূল ফটক খুলে সবাইকে বের হয়ে যেতে বলে। কেউ বের না হওয়ায় তারা বাইরে থেকে ‘টাকা দে, বাড়িতে থাকিস, টাকা দিস না? বের হ’ বলে হুমকি দিতে থাকে। এক পর্যায়ে চাপাতি ও রামদা দিয়ে গেটে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। ৯৯৯-এ ফোন করার তিন ঘণ্টা পর পুলিশ সেখানে গেলেও তাদের সামনেই সন্ত্রাসীরা বীরদর্পে পালিয়ে যায়।
এদিকে ক্যান্টনমেন্টের ইসিবি চত্বরে সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিতেও জমি দখল নিয়েই হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানেও কিশোর অপরাধীদের আনাগোনা ছিল। স্থানীয় ‘বড়ভাই’ তাদের ভাড়ায় নিয়ে আসে। গত শুক্রবার কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে জলমহালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উপজেলা বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর পাবনা সদরে এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার প্রধান আসামির বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। টানা কয়েক দিন ওই বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। এখানেও স্থানীয় বিএনপি নেতা ও কয়েকজন সমর্থকের ইন্ধন ছিল।
মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন দেশ রূপান্তরকে বলেন, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি করতেই হবে। দখল, হামলা, সংঘবদ্ধভাবে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা বেড়েই চলেছে। কোনো কোনো ঘটনায় সরকারি দলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততাও সামনে এসেছে। দলের নেতাকর্মী বলে অপরাধীরা ছাড় পেতে পারে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নিতেই হবে।
পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সিদ্ধান্ত : অপরাধ রোধ করতে পুলিশের শীর্ষ কর্তারা বৈঠক করছেন। বৈঠকে থানা পুলিশের টহল টিমের কর্মকা- নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে জানিয়ে গতকাল পুলিশ সদর দপ্তরে কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পুলিশের সবকটি ইউনিট, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপারদের বার্তা পাঠিয়ে বলা হয়েছে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের ধরতেই হবে। ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মী হলেও কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। এলাকায় থানা পুলিশের ঢিলেঢালা টহল হচ্ছে। রাতের বেলায় ডিউটি জোরদার করতে হবে। আন্ডারওয়ার্ল্ড আগের চেয়ে তৎপর হচ্ছে বেশি। রাজনৈতিক বিরোধও বেড়েছে। টার্গেট করে হত্যাকা-, চাঁদাবাজি ও দখলের ঘটনা ঘটছে। কিশোর অপরাধীদের তৎপরতা বেড়ে গেছে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও আছে আতঙ্কে। পরিস্থিতির উন্নতি করতেই হবে।
সুযোগ নিচ্ছে অপরাধ চক্র : পুলিশ সূত্র জানায়, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো জোরালো ভূমিকা রাখতে পারছে না বলেই অপরাধ চক্রগুলো সুযোগ নিচ্ছে। আবার নতুন করে বিরূপ পরিস্থিতিতে পড়ার ভয়েও অনেক ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে গড়িমসি করছেন অনেক পুলিশ সদস্য। এসব কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া পুলিশের দায়িত্ব। কোনো এলাকায় যদি টহল পুলিশের অবহেলার কারণে চুরি, ডাকাতি বা ছিনতাইয়ের ঘটনায় শুধু মাঠপর্যায়ের কনস্টেবল নয়, সংশ্লিষ্ট থানার ওসি ও সার্কেল এসপিকেও জবাবদিহিতার আওতায় আনা হচ্ছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি-আগস্ট পর্যন্ত ৮ মাসে সারা দেশে অন্তত ১৫৪টি মব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। শুধু ঢাকায় মবের ঘটনা ঘটেছে ৫৭টি।
আসছে ‘অলআউট’ অভিযান : কিশোর অপরাধীদের নির্মূল করতে ঢাকাসহ সারা দেশে ‘অলআউট’ নামে একটি বিশেষ অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। পুলিশের বৈঠকে বলা হয়, ঢাকায় ১২৯টি কিশোর গ্যাং গ্রুপ আছে। গ্রুপের সদস্য সংখ্যা ১ হাজার ২২৯ জন। আরও তালিকা হালনাগাদ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুলিশের সবকটি ইউনিট প্রধানকে।