বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা আগামী ১০ দিনের মধ্যে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। মামলা প্রত্যাহার না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন ক্র্যাব নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ আল্টিমেটাম ঘোষণা করা হয়। ক্র্যাবের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহর সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল। তিনিই ১০ দিনের আল্টিমেটাম ঘোষণা করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কামরুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা করা হয়েছে। কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই মামলা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। এ ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান বক্তারা।
এ ছাড়া ক্র্যাব সদস্য এইচএম ফারুকের বিরুদ্ধে রাঙামাটিতে দায়ের করা মামলাটিও প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ে এভাবে সাংবাদিক হয়রানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন বক্তারা।
সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, কোনো একটি পক্ষের উদ্দেশ্য সাধনে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। সাভার থানার ওসি কীভাবে মামলাটি করেছেন, তা খতিয়ে দেখার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার জনবান্ধব ও সাংবাদিকবান্ধব সরকার। আগামী ১০ দিনের মধ্যে কামরুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ক্র্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম, মাহবুব আলম লাবলু, আলাউদ্দিন আরিফ, ক্র্যাবের উপদেষ্টা ইকরামুল কবীর টিপু, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নাদিয়া শারমিন, ক্র্যাবের অর্থ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক নেহাল হাসনাইন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ মিজান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার আরিফ এবং ক্র্যাব সদস্য গোলাম মুজতবা ধ্রুব, সুশান্ত সাহা ও সাইফুল ইসলাম জুয়েল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ক্র্যাবের সাবেক সভাপতি এস এম আবুল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক শহিদুল ইসলাম রাজীসহ ক্র্যাব ও ডিআরইউর সদস্যরা।