ভূরুঙ্গামারীতে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১২ এএম

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে এক তরুণীকে আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মোখলেছুর রহমান মিঠু (৩৫) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন। এর আগে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে ইউনিয়নের নলেয়া রশীদ মোড় এলাকা থেকে পুলিশ ওই তরুণীকে উদ্ধার করে।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগীকে চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের সামাদের ঘাট এলাকায় নিয়ে আসা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সেখানকার একটি চায়ের দোকানে নাচ-গানের আড়ালে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানো হত।

পুলিশ আরও জানায়, সেখান থেকে অন্য দুই তরুণী চলে গেলেও ভুক্তভোগী থেকে যান। এরপর গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে তাকে আটকে রেখে সামাদের ঘাটসংলগ্ন কাশবন এলাকায় পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করেন মোখলেছুর রহমান মিঠু, নাইনুল ইসলাম, লিটন মিয়া, আল আমীন ও ফুল মিয়া ওরফে ফুলবর। এ সময় অভিযুক্তরা তার কাছ থেকে ৫ হাজার ৬০০ টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

বাড়ি ফেরার মতো টাকা না থাকায় ভুক্তভোগী তরুণী অভিযুক্তদের কাছে টাকা চাইতে নলেয়া রশীদ মোড়ে যান। সেখানে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ঘটনাটি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে স্থানীয়রা খবর দিলে ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তরুণীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত মোখলেছুর রহমান মিঠুকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার মোখলেছুর রহমান মিঠু ভূরুঙ্গামারী উপজেলার নলেয়া রশীদ মোড় এলাকার বাসিন্দা। অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন—নাইনুল ইসলাম, লিটন মিয়া, আল আমীন ও ফুল মিয়া ওরফে ফুলবর। তারা সবাই উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন জানান, ভুক্তভোগী তরুণীর বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলায়। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত