বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ আমিরাতের গরমও

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৫ এএম

সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য নতুন কোনো জায়গা নয়। সেখানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ থেকে শুরু করে বেশ কয়েকবার দ্বিপক্ষীয় সিরিজও খেলেছেন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এখন পর্যন্ত আমিরাতের মাটিতে ৩৯টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের। তবে এবার অপেক্ষা করছে ভিন্ন এক পরীক্ষা। নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সংযুক্ত আরব আমিরাতে টেস্ট খেলতে নামছে বাংলাদেশ। আগামী ৯ অক্টোবর আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুরু হবে একমাত্র টেস্টটি। ম্যাচটির আগে অবশ্য আমিরাতের তীব্র গরমও বাংলাদেশ দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অসহনীয় তাপমাত্রায় শরীরকে দ্রুত মানিয়ে নিতে বাড়তি প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে ক্রিকেটারদের। বিশেষ করে পেসারদের জন্য কাজটি আরও কঠিন।

কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে টেস্ট শুরুর প্রায় এক সপ্তাহ আগেই আমিরাতে পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল। সেখানে দুই সেশন অনুশীলনের পাশাপাশি দুই দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছে তারা। তবে দলের ছয়জন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার শুরু থেকে এই প্রস্তুতি পর্বে থাকতে পারেননি। অসুস্থতার কারণে টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত গতকাল রাতে দুবাইয়ের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন। জাপানে এশিয়ান গেমসের ব্যস্ততার কারণে লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, তাওহীদ হৃদয়, শরিফুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদও ছিলেন না। আজ আমিরাতে প্রথমবারের মতো অনুশীলনে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার কথা রয়েছে তাদের।

দেরিতে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় আমিরাতের গরমের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে শরিফুল ও হাসানকে বাড়তি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। এই কন্ডিশনে শরীরকে প্রস্তুত রাখার অন্যতম উপায় হিসেবে পর্যাপ্ত পানি ও তরল গ্রহণের কথা জানিয়েছেন পেসার এবাদত হোসেন। এই ডানহাতি পেসার বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত অনেক গরম থাকে। এজন্য ম্যাচের দুই দিন আগে থেকে শরীর আর্দ্র রাখার প্রস্তুতি নিতে হয়। বেশি বেশি করে পানি, তরল খাবার, ডাবের পানি বা ফল খাওয়া হয়। এই গরমে প্রচুর পরিমাণে ঘাম হয়। তো আমি যদি ম্যাচের দিন পানিশূন্য থাকি, এটাতে পেশিতে টান ধরার সমস্যা থাকে, শরীরে অনেক বেশি টান ধরে।’

তবে গরমের চ্যালেঞ্জ থাকলেও আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টের প্রস্তুতিতে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ২৫৪ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। এরপর বোলাররা নিজেদের সামর্থ্যরে প্রমাণ দিয়ে স্বাগতিকদের ২২২ রানে আটকে দেন। দ্বিতীয় ইংনিংসে বাংলাদেশ করেছে ৩ উইকেটে ১১৪। মুশফিকুর রহিম সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত