নিষিদ্ধ ভলিবলের দুই খেলোয়াড়

আপডেট : ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৫ এএম

শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে দুই খেলোয়াড়কে নিষিদ্ধ করেছে ভলিবল ফেডারেশন। এর ফলে চলতি মাসে ভুটানে আন্তর্জাতিক বিচ টুর্নামেন্টে খেলতে যেতে পারেননি আয়মান আফিফা মুক্তি। কী ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গ, তা নিয়ে কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছে মতবিরোধ। কেউ বলছেন, মোবাইল দেখে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন তারা। আবার কেউ বলছেন, মধ্যরাতে ফেডারেশনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে কথা বলে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন।

গত ১ সেপ্টেম্বর ভুটানের যাওয়ার কথা ছিল পুরুষদের দুই দলের চারজন এবং মেয়েদের দুই দলের চারজনের। কিন্তু আগের দিন রাতে (৩১ আগস্ট) কী এমন ঘটেছে যে, পরদিন বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি মুক্তিকে। বড় অঙ্কের অর্থ দিয়ে টিকিট কাটা থাকলেও যেতে পারেননি মুক্তি। ফলে তাকে ছাড়াই আটজনের মধ্যে ভুটান গেছেন সাতজন। পুরুষ দলে ছিলেন রাকেশ ও তিতাস এবং সানি ও রাতুন। অন্যদিকে লাকি খাতুন ও সাবিনা খাতুন গিয়েছিলেন। কিন্তু মুক্তি যেতে না পারায় ভুটানে গেলেও খেলতে পারেননি ইতি।

এ বিষয়ে ভলিবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোমিন সাদ্দাম বলেন, ‘মেয়েদের বিষয় আসলেই অনেকেই অনেক কিছু বলেন। তবে রাত জেগে মোবাইল দেখায় আমরা শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য মুক্তিকে ভুটানে যেতে দিইনি। আর আশিক একাডেমির কর্মকর্তা বলে আমাদের ফেডারেশনে রাতে থাকত।’ একই বিল্ডিংয়ে মেয়ে ও ছেলেদের ক্যাম্প চলছিল। কিন্তু এর মধ্যেও তিতাস ক্লাবের আশিক এসে এখানে রাত যাপন করতেন। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও তার বিশদ কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি সাদ্দাম। শুধু তা-ই নয়, কেবল মোবাইল দেখার জন্য নিষিদ্ধ কীভাবে হতে পারে, তারও কোনো উত্তর দেননি সাদ্দাম। তবে ফেডারেশনের সহসভাপতি মোহাম্মদ শোয়াইব অবশ্য বললেন ভিন্ন কথা, ‘গভীর রাতে তারা বারান্দায় দাঁড়িয়ে কথা বলছিল। তাই গত ২০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী কমিটর সভায় তাদের দুইজনকেই নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’ কেবল কথা বলার জন্যই কি নিষিদ্ধ হন কোনো খেলোয়াড়? এমন প্রশ্নের কোনো উত্তর দিতে পারেননি তিনিও। তবে বিশ^স্ত একটি সূত্র জানিয়েছে, মোবাইল দেখা বা গল্প করার করণে নয়, এই দুজনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ভিন্ন এক কারণে।

শুধু তা-ই নয়, ভলিবল ফেডারেশনের নতুন কমিটি আসার পর নানা ধরনের লোকদের আনাগোনা বেড়েছে ছয়তলা এই বিল্ডিংয়ে। এমনকি রাতের বেলায় বেশ কিছু বাইরের লোকজনও এসে থাকেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত