চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে যুবদল নেতা তারেক হোসেন বাপ্পী (২৬) হত্যা মামলায় প্রধান আসামি ছাত্রদল নেতা আরিফ হোসেনসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় হত্যায় ব্যবহৃত তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। রবিবার (১৮ অক্টোবর) চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম এসব তথ্য জানান।
নিহত বাপ্পী সীতাকুণ্ডের মধ্যম মাহদাবাদ এলাকার মৃত আলী আহমদ ও জমিলা খাতুনের ছেলে।
গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড মধ্যম মাহমুদাবাদের মো. আরিফ হোসেন (২৮), নুর আহমদ রনি (২৭), অলিনগর এলাকার ফখরুল ইসলাম (৩১), নডালিয়া এলাকার আব্দুল মান্নান (২৮) ও মুরাদপুর হাসনাবাদ এলাকার আরিফুল ইসলাম জাবেদ (২৫)।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিহত বাপ্পীর সঙ্গে প্রধান অভিযুক্ত আরিফ ও তার সহযোগীদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। অভিযুক্তদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে বাপ্পী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একাধিকবার সতর্ক করেছিলেন। এর জের ধরে বাপ্পী ও তাফসির আলম শাওনের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
প্রেস বিফ্রিংয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম জানান, শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে সীতাকুণ্ড মডেল থানা পুলিশ ও জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) যৌথ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি আরিফকে মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের অলিনগর মোড়ে সাদ্দাম নামের এক ব্যক্তির অফিসের সামনে গুলিতে নিহত হন তারেক হোসেন বাপ্পী। এ ঘটনায় তাফসির আলম শাওন (২২) নামে আরও এক যুবক গুলিবিদ্ধ হন। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার রাত ১২টার দিকে বাপ্পীর মা জমিলা খাতুন বাদী হয়ে ১৮ জনকে আসামি করে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় মামলা করেন।
বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলায় আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার