কনজাংকটিভাইটিসের চিকিৎসা

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০১ এএম

চোখে যে রোগটি সবচেয়ে বেশি দেখা দেয় তার নাম হলো কনজাংকটিভাইটিস, যা ছোঁয়াচে রোগ। এ রোগের লক্ষণ হলো চোখের নিচের অংশ লাল হয়ে যায় এবং চোখে বেশ ব্যথা করে। এ রোগে আক্রান্ত হলে আরও যেসব লক্ষণ দেখা দিয়ে থাকে তাহলো এ অসুখ প্রথমে এক চোখে হয়। এ রোগের ভাইরাস বাতাসে থাকে এবং এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির চারপাশে যারা থাকেন, তারাও এ অসুখে আক্রান্ত হন। চোখ থেকে ক্রমাগত পানি পড়তে থাকে।

কনজাংকটিভাইটিস হলে :

কিছুক্ষণ পরপর চোখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিতে হবে। তবে পানির ঝাপটা দেওয়ার আগে হাতটা ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। ভেজা চোখ টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে নিতে হবে এবং টিস্যু পেপারটি অবশ্যই ডাস্টবিনে ফেলতে হবে। নইলে আপনার ব্যবহার করা টিস্যু পেপার থেকে সংক্রমণ ঘটতে পারে। চশমার ব্যবহার করতে হবে। এর ফলে আপনার চোখ ভুলবশত হাত লেগে যাওয়া এবং ধুলো-ধোঁয়া থেকে বাঁচবে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ চোখে দিতে হবে।

নিজের ব্যবহার করা প্রসাধন সামগ্রী অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া ঠিক হবে না। এ সময় অন্যের ব্যবহার করা প্রসাধন সামগ্রীও নিজের ব্যবহার করা উচিত হবে না। অন্যকারও ব্যবহার্য জিনিস নিজেরও ব্যবহার করা যাবে না।

করণীয়

চোখ ঘষে চুলকানো যাবে না। অন্যের আইড্রপ ব্যবহার করা যাবে না। এর ফলে আবার কনজাংকটিভাইটিস হতে পারে। নিজের তোয়ালে বা টিস্যু অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেবেন না। নিজের চোখ বারবার ধরবেন না, ডলবেন না। কনজাংকটিভাইটিস আক্রান্ত হলে হাত ধোবেন বা স্যানিটাইজ করবেন। কল, হ্যান্ডেল ইত্যাদি যেসব বস্তু সবাই ছুঁয়ে থাকে তা কোনো অ্যান্টিসেপটিক দিয়ে পরিষ্কার করুন। সাঁতার কাটলে চোখে সুইমিং গগলস পরে পানিতে নামুন। পানিতে থাকা ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণুর সংক্রমণ থেকে বাঁচতে পারবেন। অযথা চোখে হাত দিতে নেই। তা ছাড়া চিকিৎসকদের পরামর্শ ছাড়া চোখে কোনো ওষুধ দেবেন না। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় রোদচশমা পরে বের হওয়া ভালো। সচেতন থাকলেই ভালো হয়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত