চকরিয়ায় পোষা বিড়াল হত্যার বিচার চেয়ে থানায় অভিযোগ

অভিযোগকারী বলেন, বিড়ালগুলো আমার সন্তানের চেয়েও বেশি। অনেক আদর-যত্নে লালন করেছি। তুচ্ছ ঘটনায় ফিরোজা আমার বিড়ালকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই, যাতে আর কেউ কোনো অবলা প্রাণীর প্রতি এমন আচরণ করার সাহস না দেখায়।

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৩ পিএম
কুকুর তাড়ানোর জেরে কক্সবাজারের চকরিয়ায় পোষা একটি বিড়ালকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে চকরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বিড়ালটির মালিক। গতকাল সোমবার দুপুরে মৃত বিড়ালটি খাঁচায় ভরে থানায় যান তিনি।
 
অভিযোগকারী শামশুল আলম (৫৪) চকরিয়া পৌরসভার কাজীরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত ফিরোজা বেগম তার প্রতিবেশী।
 
থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শামশুল আলমের দুটি পোষা বিড়াল রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিড়াল দুটিকে যত্ন করে লালন-পালন করছেন। সোমবার সকালে বাড়ির পেছনের একটি খালি জায়গায় ছাগল বেঁধে দিতে গেলে তার একটি বিড়ালও পিছু নেয়। এ সময় ফিরোজা বেগমের পোষা একটি কুকুর বিড়ালটিকে কামড় দেওয়ার চেষ্টা করে।
 
শামশুল আলম কুকুরটিকে তাড়া করে সরিয়ে দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ফিরোজা বেগম লাঠি দিয়ে বিড়ালটিকে পিটিয়ে হত্যা করেন। পরে মৃত বিড়ালটি খাঁচায় ভরে থানায় নিয়ে যান শামশুল আলম। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
 
শামশুল আলম বলেন, বিড়ালগুলো আমার সন্তানের চেয়েও বেশি। অনেক আদর-যত্নে লালন করেছি। তুচ্ছ ঘটনায় ফিরোজা আমার বিড়ালকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই, যাতে আর কেউ কোনো অবলা প্রাণীর প্রতি এমন আচরণ করার সাহস না দেখায়।
 
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফিরোজা বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
 
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, প্রাণী হত্যা আইনগত অপরাধ। শামশুল আলমের অভিযোগটি খতিয়ে দেখে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত