মেসির মতোই একজন প্রথাগত প্লে-মেকার, যিনি মাঠের ডান প্রান্ত বা রাইট হাফ-স্পেস থেকে খেলতে পছন্দ করেন। বাঁ-পায়ের জাদুকরী ড্রিবলিং, অসাধারণ ফুটবল বুদ্ধিমত্তা এবং মাঝমাঠ থেকে আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের বল বাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতার কারণে তার খেলার মধ্যে মেসির খেলার প্রতিচ্ছবি দেখতে পাচ্ছে আর্জেন্টাইনরা।
বুধবার সেই নিকো পাজের জোড়া আর অ্যাসিস্টে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত করলো ইতালিয় ক্লাব কোমো। এই হারের মাধ্যমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে গত ৭ ম্যাচ ধরে জয়হীন রইল রেড ডেভিলরা।
কোমোর মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই ম্যানইউর রক্ষণের ভঙ্গুর রূপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মাত্র দুই মিনিটের মাথায় স্বাগতিকদের আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার নিকো পাজ বক্সের বাইরে থেকে চমৎকার শটে কোমোর হয়ে প্রথম গোলটি করেন। এই গোলের মাধ্যমে টানা দ্বিতীয় চ্যাম্পিয়নস লিগ ম্যাচে ম্যাচের প্রথম দুই মিনিটের মধ্যে গোল হজম করার অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড গড়ল ইংলিশ জায়ান্টরা।
বিরতির পর আক্রমণের ধার আরও বাড়িয়ে দেয় কোমো। ৪৯ মিনিটে নিকো পাজের বাড়ানো বল ধরে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তাফস সৌভিকাস। এরপর ৫৭ মিনিটে কার্লোস বালেবার মারাত্মক ভুলে বল কেড়ে নিয়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের পক্ষে তৃতীয় গোল আদায় করে নেন নিকো পাজ।
দীর্ঘদিন পর মাঠে ফেরা ম্যাথিজ ডি লিখট এবং রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের ব্যর্থতার সুযোগ নিয়ে ৭৬ মিনিটে হেডের সাহায্যে চতুর্থ গোলটি করেন জ্যাকোবো রামোন। ম্যাচের যোগ করা সময়ে (৯০+১ মিনিটে) আমাদ দিয়ালোর পাসে বদলি হিসেবে নামা জোশুয়া জিরকজি গোল করে ব্যবধান কমালেও তা কেবল পরাজয়ের ব্যবধানই কমাতে পেরেছে।
এই চরম বিপর্যয়ের পর কোচ মাইকেল ক্যারিকের ওপর চাপ এখন চরমে। স্কাই স্পোর্টসের বিশ্লেষক পল মারসন মনে করেন, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বর্তমান পারফরম্যান্সের মান তাদের অতীতের সোনালী দিনের সাথে মেলানো যায় না।
অন্যদিকে, ২০২৫-২৬ মৌসুমে সিরি আ তে ফেরা কোমো সেস ফ্যাব্রেগ্রাসের ছোয়ায় প্রথমবার চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলতে এসেই তিন ম্যাচে দুই জয় তুলে নিলো।