ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশে পরিকল্পনার অভাব নেই। বছরের পর বছর ধরে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া হয়েছে, বিদেশি বিশেষজ্ঞ আনা হয়েছে, একের পর এক কর্মপরিকল্পনা তৈরি হয়েছে। কখনো গাপ্পি মাছ দিয়ে মশার লার্ভা ধ্বংসের উদ্যোগ, কখনো বন্ধ্যা পুরুষ মশা ছেড়ে প্রজনন কমানোর পরিকল্পনা, আবার কখনো ওলবাকিয়া ব্যাকটেরিয়াযুক্ত ভালো মশা ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি লার্ভিসাইড, অ্যাডাল্টিসাইড, ফগিং, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, এডিস জরিপ ও ক্র্যাশ প্রোগ্রাম সবই চলছে। কিন্তু কোনো পরিকল্পনাই পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয় না। এসব পরিকল্পনা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজে আসেনি। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের বারবার বাস্তবায়নহীন পরিকল্পনার কারণে প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন ও প্রাণ হারাচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতালভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু এখন আর নির্দিষ্ট কোনো মৌসুমের রোগ নয়, বছরজুড়েই এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ। তবে বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী সময়ে সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নেয়। ২০১৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ডেঙ্গুর একাধিকবার বড় ধরনের বিস্তার ঘটেছে। এই পরিসংখ্যানের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো ২০২৩ সালের সংক্রমণের পর থেকে পরবর্তী বছরগুলোতে সংক্রমণ ১ লাখের নিচে নামেনি। ফলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও জবাবদিহি নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ২০১৮ সালে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ১০ হাজার ১৪৮ জন এবং মারা যান ২৬ জন। ২০১৯ সালে সংক্রমণ ব্যাপক আকার ধারণ করে। ওই বছর আক্রান্ত হন ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন এবং মারা যান ১৭৯ জন। ২০২০ সালে সংক্রমণ ১ হাজার ৪০৫ জনে নেমে আসে। পরে ২০২১ ও ২০২২ সালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়তে থাকে। ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হন এবং মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন। এরপর ২০২৪ ও ২০২৫ সালেও লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হন। আর চলতি ২০২৬ সালের ২১ অক্টোবর পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৯০ এবং ৩৬৪ জন মারা যায়।
জানা গেছে, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার পরও সংক্রমণ ও মৃত্যু ঠেকানো যাচ্ছে না। সরকার ২০১৭ সাল থেকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করে আসছে। এসব পরিকল্পনা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। আর কোনো কোনো পরিকল্পনা ডেঙ্গু দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নীতিগত দুর্বলতার একটি দিক উঠে আসে। নতুন পরিকল্পনা ঘোষণার সময় প্রচার থাকে, কিন্তু বাস্তবায়নের অগ্রগতি, ব্যয় এবং ফলাফল নিয়ে নিয়মিত তথ্য বা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় না।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. বেনজীর আহমেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু ভালো প্রযুক্তি প্রয়োগের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু প্রযুক্তি নিয়ে যারা কাজ করবে, সে রকম দক্ষ জনবল নেই। এসব প্রযুক্তি প্রয়োগে প্রধান হচ্ছে কীটতত্ত্ববিদ ও তাদের সহযোগী। কিন্তু দুই সিটি করপোরেশনে কীটতত্ত্ববিদ আছেন মাত্র দুজন। তারাও সেইভাবে ফোকাসড কাজ করে না। ফলে বিগত সময়ে যেসব পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন করা যায়নি। এখন আমাদের অনেক কীটতত্ত্ববিদ, তাদের সহযোগী, টেকনিশিয়ান, ল্যাবরেটরি ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি দরকার। তাহলে জানা যাবে এসব প্রযুক্তি কাজ করছে কী করছে না, কোথায়, কখন, কী পদ্ধতি প্রয়োগ করা যাবে। দক্ষ জনবল ছাড়া এ ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা সম্ভব না। ফলে ডেঙ্গু আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরেই থেকে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সিটি করপোরেশন আছে ফগিং ও লার্ভিসাইট নিয়ে ব্যস্ত। তারা এর চেয়ে বেশি কিছু করতে জানে না। আমরা বারবারই বলছি, কোনো একটা মেথড দ্বারা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করতে হলে সমন্বিত মশা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যেটিকে আমরা বলি ইন্টিগ্রেটেড ভেক্টর ম্যানেজমেন্ট (আইভিএম)। অর্থাৎ অনেকগুলো পদ্ধতি একসঙ্গে প্রয়োগ করা। যখন, যেখানে যেটি দরকার সেটি প্রয়োগ করা।’
তথ্য বলছে, বাংলাদেশ সরকারের জন্য ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে ২০১৭ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শক কে. কৃষ্ণমূর্তি ২২ পাতার একটি মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা তৈরি করেছিলেন। পরিকল্পনাটির নাম মিড-টার্ম প্ল্যান ফর কন্ট্রোলিং অ্যান্ড প্রিভেন্টিং এডিস-বোর্ন ডেঙ্গি অ্যান্ড চিকুনগুনিয়া ইন বাংলাদেশ। পরিকল্পনায় ২০টির বেশি সুপারিশ ছিল। এর মধ্যে ১২টি মন্ত্রণালয়ের জন্য আলাদা দায়িত্ব নির্ধারণের কথা বলা হয়েছিল। জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে করণীয়, রোগ ও মশা নজরদারি, রোগী ব্যবস্থাপনা, সমন্বিত মশা নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত প্রতিক্রিয়া, জনসম্পৃক্ততা, গণমাধ্যমকে সম্পৃক্ত করা এবং পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের মতো বিষয়ও ছিল। সেই পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে, তার সুস্পষ্ট মূল্যায়ন প্রকাশ করা হয়নি।
২০১৯ সালে ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব, আনা হলো বিদেশি বিশেষজ্ঞ
২০১৯ সালে দেশে ডেঙ্গুর ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। ওই সময় পরিস্থিতি নিয়ে দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচনা হয়। তখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের জ্যেষ্ঠ কীটতত্ত্ববিদ ড. বি. এন. নাগপাল বাংলাদেশে আসেন। তিনি এডিস মশার আচরণ ও নিয়ন্ত্রণপদ্ধতি নিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ডেঙ্গু দমনে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানান। নাগপাল শুধু রাস্তা বা খোলা জায়গায় ফগিংয়ের ওপর নির্ভর না করতে বিশেষভাবে সতর্ক করেছিলেন। তার মতে, এডিস মশা ঘরের ভেতরেও বিশ্রাম নেয় এবং অল্প পরিমাণ পানিতেও বংশবিস্তার করতে পারে। নির্মাণাধীন ভবন ও নির্মাণস্থলে জমে থাকা পানিতে এডিসের প্রজননস্থল চিহ্নিত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। নাগপালের পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে, তারও কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
আলোচনায় ছিল গাপ্পি মাছ
ডেঙ্গু ও মশা নিয়ন্ত্রণে আরেকটি বহুল আলোচিত উদ্যোগ ছিল গাপ্পি মাছ। ২০১৭ সালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ৪৫০ কিলোমিটার নর্দমায় গাপ্পি মাছের পোনা ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিল। বলা হয়েছিল, গাপ্পি মাছ মশার লার্ভা খেয়ে ফেলতে পারে। রাজধানীর বিভিন্ন ড্রেন ও জলাশয়ে এ মাছ ছাড়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়। পরে বিশেষজ্ঞরা জানান, সঠিক পরিবেশে গাপ্পি মাছ মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে সব ধরনের এডিসের প্রজননস্থলে এই পদ্ধতি কার্যকর নয়। পরিবেশগত ঝুঁকি ও কার্যকারিতা নিয়ে বৈজ্ঞানিক আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। অর্থাৎ, গাপ্পি মাছ নিয়ে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সেটি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় মশা নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার জন্য কতটা কার্যকর, তা আর জানা যায়নি।
বন্ধ্যা পুরুষ মশা : প্রজনন বন্ধের পরিকল্পনা
২০১৯ সালে বাংলাদেশ নতুন প্রযুক্তির স্টেরাইল ইনসেক্ট টেকনিক (এসআইটি) পদ্ধতি প্রয়োগের পরিকল্পনা নেয়। এই পদ্ধতিতে বিপুলসংখ্যক পুরুষ এডিস মশা উৎপাদন করে তাদের বন্ধ্যা করা হয়। পরে সেগুলো ছেড়ে দেওয়ার পর স্ত্রী মশার সঙ্গে মিলনের ফলে যেন বংশধর তৈরি না হয়, সেটি নিশ্চিত করা হয়। ফলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মশার সংখ্যা কমে আসে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আইএইএ এবং এফএও এই প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা ও পরীক্ষার জন্য একটি কাঠামো তৈরি করে। বাংলাদেশও এই প্রযুক্তি পরীক্ষায় আগ্রহী দেশগুলোর তালিকায় ছিল। কিন্তু বাংলাদেশে এই উদ্যোগের মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়ন দেখা যায়নি। বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু হয়ে থাকলেও কত মশা উৎপাদন হয়েছে, কোথায় পরীক্ষামূলকভাবে ছাড়া হয়েছে কিংবা এর ফলাফল কী এসবের ধারাবাহিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
ওলবাকিয়া পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সাম্প্রতিক আলোচিত প্রযুক্তি হলো ওলবাকিয়া পদ্ধতি। ওলবাকিয়া একটি ব্যাকটেরিয়া, যা এডিস মশার শরীরে যুক্ত করলে মশার মাধ্যমে ডেঙ্গু, জিকা ও চিকুনগুনিয়ার মতো ভাইরাস ছড়ানোর সক্ষমতা কমানো যায়। বাংলাদেশে ২০২৫ সালে সরকার ওলবাকিয়া পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেয়। এরপর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশ সরকার ও অস্ট্রেলিয়ার ওয়ার্ল্ড মসকিউটো প্রোগ্রামের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ২০২৬ সালের মে মাসে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এ পদ্ধতি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সেখানে ঢাকা উত্তর সিটি এলাকায় ওলবাকিয়া পদ্ধতির সম্ভাব্য পাইলট প্রকল্পের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয় এবং কারিগরি ও আর্থিক পরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়। বর্তমানে আবারও একটি নতুন পরিকল্পনার দিকে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কতটা সম্ভব হবে, তা দেখার বিষয়।
বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ইন্টিগ্রেটেড ভেক্টর ম্যানেজমেন্ট (আইভিএম) বা সমন্বিত মশা নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা বিষয়ে পরিকল্পনার কথা বলে আসছেন। এর অর্থ শুধু মশার ওষুধ ছিটানো নয়। এর মধ্যে রয়েছে নিয়মিত এডিস জরিপ, প্রজননস্থল চিহ্নিত করা, লার্ভা ধ্বংস, প্রয়োজন অনুযায়ী কীটনাশক ব্যবহার, নির্মাণস্থল ও পরিত্যক্ত স্থাপনায় নজরদারি, রোগের তথ্যের সঙ্গে মশার তথ্য মিলিয়ে হটস্পট নির্ধারণ এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করা। ২০২১ সালেও একটি জাতীয় ভেক্টর কন্ট্রোল পলিসি তৈরির বিষয়টি আলোচনায় ছিল। তখন বলা হয়েছিল নীতিটির খসড়া তৈরি হয়েছে এবং তা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। কিন্তু সেই সময়ও বিশেষজ্ঞরা অভিযোগ করেছিলেন, সমন্বিত নীতির অভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এরপর সেই পরিকল্পনা ও নীতির খসড়া থেকে বাস্তবায়নের পর্যায়ে বাংলাদেশ কতটা এগিয়েছে, তার কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
২০১৯ সালে ডেঙ্গুর ভয়াবহ প্রাদুর্ভাবের পর মশা নিয়ন্ত্রণে বিদেশি অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের তৎকালীন মেয়র সাঈদ খোকন সিঙ্গাপুর সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ৫ বছর মেয়াদি প্রকল্পের পরিকল্পনার কথা জানান। পরিকল্পনায় সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণার জন্য আলাদা বিভাগ গঠন এবং সিঙ্গাপুরের এনভায়রনমেন্টাল হেলথ ইনস্টিটিউটের সঙ্গে তথ্য বিনিময়, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণের বিষয়ে সমঝোতার উদ্যোগের কথা বলা হয়। কিন্তু ৫ বছর মেয়াদি সেই পরিকল্পনার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়নি।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার বিভাগ, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, গণপূর্ত, রাজউক, ওয়াসা, নির্মাণপ্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। শুধু রোগী শনাক্ত ও হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার মাধ্যমে সংক্রমণ বন্ধ করা যায় না। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত জরিপ, কীটনাশকের কার্যকারিতা যাচাই এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।