এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৫০ দিন পর আগামী ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশ হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সারা দেশে একযোগে এ ফল প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত হওয়ার পর এখন অপেক্ষায় রয়েছেন ১২ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী। ফলাফল কীভাবে পাওয়া যাবে এবং কখন তা প্রকাশ করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দিতে আগামী সোমবার (২৬ অক্টোবর) ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে।
শনিবার রাত ১১টার দিকে বিষয়টি দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেন আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। তিনি বলেন, আগামী ২৬ অক্টোবর এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিষয়ে একটি ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হবে। এতে পরীক্ষার ফলাফল কীভাবে পাওয়া যাবে এবং কখন ফলাফল দেওয়া হবে, সেসব বিষয়ে চূড়ান্ত দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। পরে মন্ত্রণালয় থেকে ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়। এদিন শিক্ষামন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করবেন এবং সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন। এরপর ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা (এসএমএস) এবং নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।
গত ২ জুলাই সারা দেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়। চলতি বছর দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের অধীনে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষার জন্য নিবন্ধিত ছিলেন। তবে পরীক্ষায় বেশ কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।
পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। তবে বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্য দিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাও শেষ হয়।
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ফল প্রকাশ পর্যন্ত সময় লাগছে ৫০ দিন। অন্যদিকে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশ হচ্ছে ৮২ দিন পর। নির্ধারিত দিনে ফল প্রকাশের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হবে পরীক্ষার্থী ও তাঁদের অভিভাবকদের।