চট্টগ্রাম মহানগরী বিএনপির ৪ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম

আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকার এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রত্যয় নিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপনে চার দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চট্টগ্রাম মহানগর।

এ উপলক্ষে আগামী ৫ নভেম্বর বর্ণাঢ্য র‍্যালি, ৬ নভেম্বর মহানগর যুবদলের উদ্যোগে কর্মসূচি, ৭ নভেম্বর সকালে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং বিপ্লব উদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এ ছাড়া ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। ৫ নভেম্বরের র‍্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

এসব কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে রোববার (১ নভেম্বর) নসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এমপির সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় নগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এতে সভাপতির বক্তব্যে এরশাদ উল্লাহ বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক চেতনার এক তাৎপর্যপূর্ণ দিন।

আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক জনগণের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান এবং রাষ্ট্রের স্বাধীন সত্তা রক্ষার অঙ্গীকার এই দিনের ঐতিহাসিক শিক্ষা। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিল। এই ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিকাশ, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় সুদৃঢ় হয়। তাই ৭ নভেম্বর জাতীয় স্বার্থ ও স্বাধীনতা রক্ষার এক অনন্য প্রেরণা।

তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ৭ নভেম্বরের চেতনা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচি সফল করতে নগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার, এস এম সাইফুল ইসলাম, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, হারুন জামান, শাহ আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল ও শিহাব উদ্দিন মুবিন বক্তব্য রাখেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত