প্রধানমন্ত্রীর খুলনা সফর: আশায় বুক বাঁধছে রূপসা তীরের নগরী

আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিল্পনগরী খুলনায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ উপলক্ষে বন্ধ শিল্পকারখানা চালু, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও কর্মসংস্থানের জোয়ার নিয়ে আশায় বুক বাঁধছে রূপসা তীরের নগরী।

খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে খুলনাজুড়ে বইছে আনন্দের জোয়ার।

চিরচেনা তোরণ ও বিলবোর্ডের ভিড় এড়িয়ে পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক সাজে সেজেছে পুরো নগরী। তবে চকচকে রাস্তার বাইরেও সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মনে রয়েছে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রাপ্তির আশা।

দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকা এই অঞ্চলের বন্ধ জুটমিলগুলো পুনরায় চালু, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান এবং মোংলা বন্দরের গতিশীলতা বৃদ্ধিই এখন খুলনাবাসীর প্রধান প্রত্যাশা।

স্থানীয় বিশিষ্টজনদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের থমকে থাকা অর্থনীতিকে নতুন গতি দেওয়ার এক ঐতিহাসিক সূচনা। এখন সবার দৃষ্টি প্রধানমন্ত্রীর খুলনার মঞ্চ থেকে দেওয়া বক্তব্যের দিকে।

নগরবাসীর প্রত্যাশা, যুগ যুগ ধরে বন্ধ থাকা খুলনার পাটকল (জুটমিল) ও অন্যান্য শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। পাশাপাশি তাঁদের প্রত্যাশাগুলো হলো—

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চিংড়িশিল্প ও সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের বিকাশ। খুলনা-মোংলা মহাসড়কসহ আঞ্চলিক যোগাযোগব্যবস্থা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন। তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়ার বিকাশ এবং তরুণদের মেধা বিকাশে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত