বরিশালের উজিরপুরে নারীদের গোপন ভিডিও ধারণের অভিযোগে বায়েজিদ মিঠু নামে এক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে আটক করে গণধোলাই দিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তাঁকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শনিবার দিবাগত রাতে উজিরপুর পৌরসভার চৌরাস্তা টেম্পোস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত বায়েজিদ মিঠু উজিরপুর পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্বে ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বায়েজিদ মিঠু প্রতিবেশী এক নারীর গোপন ভিডিও ধারণের চেষ্টা করেন। বিষয়টি ওই নারীর নজরে এলে তিনি চিৎকার করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিক নারীর গোপন ভিডিও সংরক্ষিত থাকার বিষয়টি দেখতে পান বলে দাবি করেন তাঁরা। একপর্যায়ে উত্তেজিত লোকজন তাঁকে মারধর করে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখেন।
খবর পেয়ে উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বায়েজিদ মিঠু মাদক সেবন ও চাঁদাবাজির সঙ্গেও জড়িত। তাঁর কর্মকাণ্ডে উপজেলা সদর ও আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম জানান, জনতার হাতে আটক বায়েজিদ মিঠুকে রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে রোববার সন্ধ্যায় বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম জনি ও সদস্যসচিব কামরুল আহসানের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বায়েজিদ মিঠুকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।