আগেও প্রেমের প্রস্তাব পেতাম

আপডেট : ১৯ মে ২০২১, ০৭:৩১ এএম

ছোটপর্দার ব্যস্ত অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিন। করোনাকালীন ঈদেও এক ডজনের বেশি নাটকে অভিনয় করেছেন। সমসাময়িক বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি

ঈদের কাজ...

ঈদের কাজ সেভাবে এখনো দেখা শুরু করিনি। নিজের কিছু কাজ দেখেছি। তাও পুরোটা না। তবে এরইমধ্যে অনেকের কাছ থেকে ঈদের কাজের জন্য শুভকামনা পেয়েছি। আমার যেহেতু ফেইসবুক আইডি নেই তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় কী হচ্ছে তার সবকিছু জানতে পারি না। যারা সরাসরি ফোন করে বা এসএসএসে ভালোলাগা মন্দলাগার কথা জানায় সেটাই আমার কাছ পর্যন্ত পৌঁছায়। এবার চেষ্টা করেছি প্রেমের নাটকের বাইরেও নানা ধরনের কাজ করতে। এই মুহূর্তে মনে পড়ছে ‘মেড ফর ইচ আদার’  ‘আমি ব্রেকআপ চাই’, ‘অ্যাওয়ার্ড’, ‘হাবিবুল ও এক ভয়ংকর প্রেম’, পর্বের ধারাবাহিক নাটক ‘মিল ব্যারাক কল্যাণ সমিতি’-এর কথা। সবগুলো নাটকেই ভিন্ন চরিত্রে উপস্থিত হয়েছি। প্রতিটি নাটকে আমার সহশিল্পীও আলাদা। জোভানের সঙ্গে যেমন কাজ করেছি তেমনি তাহসান খান, মিশু সাব্বির, মোশাররফ করিম সব প্রজন্মের অভিনেতাদের সঙ্গেই আমাকে দেখা গেছে। দর্শককে বোর করতে চাই না, তাই এমন সিদ্ধান্ত।

পছন্দের সহকর্মী...

অনেকের সঙ্গেই তো কাজ করি। কিন্তু সবার সঙ্গে সমান আন্তরিকতা বা বোঝাপড়া হয় না। কিছু মানুষের সঙ্গে বোঝাপড়াটা অন্য রকম হয়। তাই তাদের সঙ্গে নিয়মিত কাজ করি। পরিচালকদের মধ্যে মোস্তফা কামাল রাজ, ইমরাউল রাফাত, কাজল আরেফিন অমির সঙ্গে বোঝাপড়া চমৎকার। সহশিল্পীদের প্রায় সবার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক। তারপরও যদি বলতে হয় বলব, আমি সবচেয়ে উন্মুখ থাকি আফরান নিশোর সঙ্গে কাজ করতে। তিনি হাতেকলমে শিখিয়ে দেন। আমিও আমার অভিনয়ের উন্নতি টের পাই। মোশাররফ করিমের অভিনয়ের ধরন দেখলে মাঝেমধ্যে মনে হয়, একটা মানুষ কীভাবে এত ভালো অভিনয় করতে পারেন! অপূর্বর সঙ্গেও কাজ করে অনেক কিছু শিখি, তিনি আমার অনেক মতামত নেন।

প্রেম...

অভিনয়ে আসার আগেও প্রেমের প্রস্তাব পেতাম না, তা নয় কিন্তু। তবে এখন একটু বেশি পাই। তবে প্রথম কাউকে ভালো লাগার অনুভূতিটা একেবারেই ভিন্ন রকম। আমার প্রথম ভালো লাগা আমার প্রতিবেশীর প্রতিই ছিল। সে আমাদের বিল্ডিংয়ে থাকত, এখনো থাকে। শুনেছি দেশের বাইরে থাকে। আমিও আর ওসব নিয়ে মাথা ঘামাই না। ছোটবেলায় আমি খুব ডেসপারেট ছিলাম। আমি অনেক কঠোর নিয়মের মধ্যে বড় হয়েছি। মোবাইল ছিল না, ইন্টারনেট ছিল না। আম্মু স্কুল কোচিংয়ে নিয়ে যেত-আনত। এ জন্যই মনে হয় আরও বেশি ডেসপারেট ছিলাম। একবার যদি ওই ছেলেকে লিফটে কিংবা বাসার নিচে দেখতাম, সারা দিন ওটাই চিন্তা করতাম। সাত দিনও চলে যেত। আমার একটা ডায়েরি ছিল। সেখানে ওই ছেলেকে নিয়ে অনেক গল্প-কবিতা লিখেছি...। বারান্দায় দেড় দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতাম শুধু একনজর দেখব বলে। বড় হওয়ার সঙ্গে এসব হারিয়ে গেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত