সংকট মোকাবিলায় দিকনির্দেশনার অভাব

আপডেট : ১০ জুন ২০২২, ০২:২০ এএম

করোনা-পরবর্তী রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে সৃষ্ট উচ্চ মূল্যস্ফীতিতে বিশে্বর প্রায় সব দেশই আক্রান্ত। উচ্চ পণ্যমূল্য থেকে জনসাধারণকে স্বস্তি দিতে বিভিন্ন দেশের সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে রাজস্ব নীতি ও সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি। সংকোচনমূলক নীতির লক্ষ্য হলো সুদের হার বৃদ্ধির মাধ্যমে বাজারে অর্থ সরবরাহ কমিয়ে আনা। যুদ্ধের কারণে যে বাড়তি মূল্যস্ফীতি, তা মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই অনেক দেশ সুদহার বৃদ্ধি করেছে, রাজস্ব নীতিতে পরিবর্তন এনেছে। কিন্তু বাংলাদেশ সে পথে হাঁটছে না।

সবার প্রত্যাশা ছিল মূল্যস্ফীতিকে ঘিরে যে সংকট, তা নিরসনে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বাস্তবধর্মী কিছু পদক্ষেপ নেবেন। কিন্তু তা না করে অন্যান্য বছরের মতো গতানুগতিক বাজেটই পেশ করেছেন। যদিও অর্থমন্ত্রী গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবে উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকেই প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে অভিহিত করেছেন। কভিড-পরবর্তী চাহিদা বৃদ্ধি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় অত্যন্ত কৌশলী হওয়ার কথাও জানিয়েছেন। মূল কৌশল হিসেবে বিদ্যমান চাহিদার প্রবৃদ্ধি কমিয়ে সরবরাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানিনির্ভর ও কম গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ব্যয় বন্ধ রাখা অথবা হ্রাস করার কথাও জানিয়েছেন তিনি। তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এসব পদক্ষেপ যথেষ্ট নয় বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

বর্তমানের উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দেশের সাধারণ মানুষ কষ্টে আছেন। আয়ের বড় অংশই চলে যাচ্ছে খাদ্যপণ্য ব্যয়ে। নিম্ন ও স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য টিসিবি, ওএমএসের মাধ্যমে কিছুটা সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা চালানো হলেও উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপ সামলাতে সাধারণ মানুষের জন্য কোনো সুখবর নেই। বাজেটে প্রতিবন্ধীদের জন্য বরাদ্দ ১০০ টাকা বাড়ানো ছাড়া গরিবের জন্য নতুন করে কোনো সুবিধা বাড়ানো হয়নি। বয়স্ক, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তদের ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হয়নি, সুবিধাভোগীর সংখ্যাও বাড়েনি। তাহলে গরিব অসহায় মানুষ এ বাজেট থেকে কী পাবেন, এমন প্রশ্নও তুলেছেন অর্থনীতিবিদরা। উচ্চ মূল্যস্ফীতির এ সময়ে করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোর মাধ্যমে মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে কিছুটা ছাড় দেওয়ার দাবি উঠলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।

তবে বরাবরের মতো এবারও সুবিধা পেয়েছেন ব্যবসায়ীরা। করপোরেট করহার আড়াই শতাংশ কমছে। কোনো কোনো খাতের জন্য অগ্রিম কর, উৎসে করও কমানো হয়েছে। বিশে^র বিভিন্ন দেশে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ঋণের সুদহার বাড়ানো হলেও ব্যবসায়ীদের স্বার্থে দেশে এ সুদহারও বাড়ানো হয়নি। যদিও ঋণকে ব্যয়বহুল করে মূল্যস্ফীতি সামাল দেওয়ার কৌশল একটি কার্যকর পদক্ষেপ। অবশ্য বাংলাদেশ ব্যাংক কিছুদিন আগে নীতি সুদহার শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়িয়েছে।

গতকাল অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার সম্প্রসারণমূলক বাজেট প্রস্তাব দিয়েছেন। বাজেটের আকার চলতি অর্থবছরের চেয়ে ১৪ দশমিক ২৪ শতাংশ বেড়েছে। ‘কভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন’ শিরোনামের প্রস্তাবিত বাজেটটিতে অনুন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭৩ হাজার ২৪২ কোটি টাকা। আর উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬১৫ কোটি ও অন্যান্য ব্যয় ৪৫ হাজার ২০৫ কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ মোট রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৭১ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ বা ৪৪ হাজার ৭৯ কোটি টাকা বেশি। করপোরেট করে সুবিধা দেওয়ায় এবার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এনবিআরকে বড় চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। অবশ্য এ ক্ষেত্রে আয়করের ওপর বেশি জোর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। করযোগ্য আয়ধারী সবাইকে কর-জালের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন তিনি। টিআইএনধারীর সংখ্যা এক কোটিতে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে এনবিআর এবং গত চার বছরে প্রতি বছর গড়ে ১০ লাখেরও বেশি হারে এ সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে জিডিপির ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বা ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। আসন্ন ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের এ বিপুল ব্যয়ের এক-তৃতীয়াংশের বেশি আসবে ঋণ থেকে। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের তুলনায় আগামী অর্থবছরের বাজেট আরও বেশি ঋণনির্ভর হতে যাচ্ছে। আর সরকারকেও প্রতি বছর ঋণের সুদবাবদ গুনতে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি অর্থ। আগামী অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি মেটাতে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা ঋণ নিতে হবে সরকারকে। এর মধ্যে বিদেশি উৎস থেকে নিট ঋণ ধরা হয়েছে ৯৫ হাজার ৪৫৮ কোটি, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে ১৮ হাজার ৪৩৮ কোটি টাকা বেশি। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণ সরকার ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। ব্যাংকবহির্ভূত খাত থেকে ঋণ নেবে ৪০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সঞ্চয়পত্র থেকে নেওয়া হবে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।

মোট খরচের মধ্যে ৪ লাখ ১১ হাজার ৪০৬ কোটি টাকা ব্যয় হবে পরিচালন কর্মকাণ্ডে। এর মধ্যে সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে ৮০ হাজার ৩৭৫ কোটি, যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ ৭৩ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা। এ ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনভাতা বাবদ ৭৫ হাজার ১০ কোটি টাকা ব্যয় হবে আগামী অর্থবছরে। এর বাইরে শিক্ষা ও প্রযুক্তি, পরিবহন ও যোগাযোগ এবং স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশের মধ্যে রাখতে চান অর্থমন্ত্রী। যদিও এখনই মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। বিবিএসের হিসাবে চলতি বছরের এপ্রিলে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ। বৈশি^ক পরিস্থিতির কারণে আগামীতে পণ্যমূল্য বেড়ে গিয়ে আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার পূর্বাভাস রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রী মূল্যস্ফীতি কীভাবে ৫ দশমিক ৬ শতাংশে আটকে রাখবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। 

এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজেটে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু নেই। সরকার মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। এটা কোনো কাজে লাগবে না। কারণ অদূর ভবিষ্যতে বিশ^বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আরও বেড়ে যাবে। এতে আমদানি ব্যয় বাড়বে। ডলারের দাম বেড়ে টাকার অবমূল্যয়ান হবে।’

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নিম্ন অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়নের গতি হ্রাস করা হবে এবং একই সময়ে উচ্চ ও মধ্যম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা হবে। জ¦ালানি তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সারের বিক্রয়মূল্য পর্যায়ক্রমে ও স্বল্প আকারে সমন্বয় করা হবে। তিনি জানান, রাজস্ব আহরণ কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে কর সংগ্রহে অটোমেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে এবং মূল্য সংযোজন কর ও আয়করের নেট বৃদ্ধি করা হবে। বিলাসী ও অপ্রয়োজনীয় আমদানি নিরুৎসাহিত করা হবে এবং আন্ডার ও ওভার ইনভয়েসিংয়ের বিষয়টি সতর্ক পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার প্রতিযোগিতামূলক রাখা হবে।

আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়টি পণ্য জ¦ালানি তেল, এলএনজি, গম, রাসায়নিক সার, পাম অয়েল, সয়াবিন তেল, কয়লা, ভুট্টা ও চাল একই পরিমাণে আমদানি করতে বাংলাদেশকে ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে সম্ভাব্য অতিরিক্ত ব্যয় হিসেবে ৮২০ কোটি ডলার পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু অর্থমন্ত্রীর শঙ্কা, বছর শেষে এই ব্যয় আরও ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বাড়বে, যা বাজেট ব্যবস্থাপনায় চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে। এসব পণ্যের বাইরেও আন্তর্জাতিক বাজারে শিল্পের কাঁচামাল ও অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের মূল্য এবং আন্তর্জাতিক পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে অভ্যন্তরীণ বাজারে আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতির চাপ অনুভূত হচ্ছে বলে স্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী।

করোনা মহামারীর ধাক্কার পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে অর্থনীতিকে উন্নয়নের গতিতে ফেরানোর বাজেট দিতে এসে মুস্তফা কামাল ছয়টি চ্যালেঞ্জের কথা জানিয়েছেন। বাজেট প্রণয়নের আগে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন, অর্থনীতিবিদ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার পর আগামী অর্থবছরের জন্য এসব চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করেছেন। সেগুলো হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা এবং অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা; গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সারের মূল্যবৃদ্ধিজনিত বর্ধিত ভর্তুকির জন্য অর্থের সংস্থান; বৈদেশিক সহায়তার অর্থের ব্যবহার এবং মন্ত্রণালয়/বিভাগের উচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ে শেষ করা; শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের প্রকল্প যথাসময়ে শেষ করা; অভ্যন্তরীণ মূল্য সংযোজন কর সংগ্রহের পরিমাণ এবং ব্যক্তি আয়করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি করা; টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল এবং বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ সন্তোষজনক পর্যায়ে রাখা।

অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় বলেছেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের অত্যন্ত কৌশলী হতে হবে। কোনো একটি সমস্যা সঠিকভাবে সমাধান করা না গেলে তা সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে পারে। 

তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও এবারের বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির ওপর। এজন্য শ্রমঘন, রপ্তানিমুখী উৎপাদনকে উৎসাহ প্রদান করা হবে। কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্পকে আগের মতো ঋণ এবং অন্যান্য সুবিধা দেওয়া হবে। এছাড়া কৃষি বহুমুখীকরণ ও আইসিটিনির্ভর উদ্যোগকে প্রাধান্য দেওয়া হবে। পাশাপাশি বৈদেশিক কর্মসংস্থানে দক্ষ জনশক্তি তৈরির প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা জিডিপির কর্মসংস্থানের স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হব, যা সার্বিকভাবে আয় বৈষম্য হ্রাসে ভূমিকা রাখবে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ অব্যাহত থাকলেও অর্থনীতির ওপর উল্লেখযোগ্য নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি বলে দাবি করেন অর্থমন্ত্রী বলেন, শেষ প্রান্তিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতি সত্ত্বেও চলতি অর্থবছর শেষে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ অর্জিত হবে বলে আশা করছেন তিনি। পাশাপাশি কভিড-১৯ অতিমারীর প্রলম্বিত প্রভাব, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা গতবারের চেয়ে কম রাখার পরও উচ্চ প্রবৃদ্ধি কীভাবে অর্জন হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত