খুলনার চারটি হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
এর মধ্যে খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে ৩ জন, খুলনা জেনারেল হাসপাতালে একজন, গাজী মেডিকেল হাসপাতালে ২ জন এবং শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়েছে। খুলনাতে গতকাল সোমবার ৬ জন ও রবিবার ৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
মৃত ব্যক্তিরা হলেন- নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার সবুর মোড়ল (৫৫), খালিশপুরের সেলিনা বেগম (৫০) ও চট্টগ্রামের শিতাকুন্ডুর হাবিবুল্লাহ (৭০)। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১১৯ জন। যার মধ্যে রেড জোনে ৪১ জন, ইয়েলো জোনে ৪৬ জন, আইসিইউতে ১৯ জন এবং এইচডিইউতে ১৩ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২৭ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৭ জন।
খুলনার শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ দেবনাথ জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নগরীর সদর হাসপাতাল পশ্চিম এলাকার শামসুল হক (৭৬) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন ৩৯ জন। এর মধ্যে আইসিইউতে রয়েছে ১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ২ জন রোগী ভর্তি হয়। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ জন।
খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে রূপসা রাজাপুর এলাকার শেখ আবুল হোসেন (৫৬) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩৯ জন, তার মধ্যে ১৫ জন পুরুষ, আর ২৪ জন নারী। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৩ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮ জন।
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৬০ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৭ জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ জন। আইসিইউতে ভর্তি রয়েছেন ৯ জন এবং এইচডিইউতে ২ জন।
গাজী মেডিকেল হাসপাতালের স্বত্ত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
মৃতরা হলেন- নগরীর মুন্সিপাড়ার রহিমা খাতুন (৭২) ও ঝিনাইদহ সদরের মহিলা কলেজ রোডের মোসাম্মৎ রহিমা খাতুন (৬৪)। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬০ জন। আইসিইউতে রয়েছেন ৪ জন এবং এইচডিইউতে ৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৬ জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬ জন।
