ঘুম কম হলে

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০২৩, ০৬:১৬ এএম

স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি শরীর সুস্থ রাখার অন্যতম শর্ত হলো পর্যাপ্ত ঘুম। যেকোনো শারীরিক সমস্যা থেকে দূরে থাকতে ঘুম অত্যন্ত জরুরি। সারা দিনে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো বাধ্যতামূলক। কিডনি, লিভার, মানসিক অবসাদ, ডিমেনশিয়া, আর্থরাইটিসের মতো হাজার সমস্যার সমাধান লুকিয়ে আছে ঘুমেই। শুধু শারীরিক সমস্যা থেকে বাঁচতে নয়, কাজের গতি বাড়াতে এবং শরীর চনমনে রাখতেও জরুরি ঘুম। কমপক্ষে যদি ছয় ঘণ্টাও টানা ঘুম না হয়, তাহলে নানান সমস্যা দেখা দিতে পারে।

 কম ঘুম মানসিক অবসাদ বাড়িয়ে তোলে। অনিদ্রা আর মানসিক অবসাদ পরস্পর এতটাই নিবিড় সম্পর্কযুক্ত যে, একটি আক্রান্তকে অন্যটির দিকে টেনে নিয়ে যায়। অবসাদের লক্ষণগুলো রোগীর ঘুমিয়ে পড়ার ক্ষমতাকেও প্রভাবিত করতে পারে।

 শার্প ওয়েভ রিপালস নামে পরিচিত মস্তিষ্কের একটি ক্রিয়া স্মৃতিকে একত্র করতে সাহায্য করে। মস্তিষ্কের নিওকর্টেক্স ও হিপ্পোক্যাম্পাসের সহায়তায় এই স্মৃতি স্থায়ী জ্ঞানে রূপান্তরিত হয়। গভীর ঘুমের মধ্যে এই প্রক্রিয়াটি সবচেয়ে ভালো হয়। সুতরাং দেরি করে ঘুমোতে গেলে এই প্রক্রিয়াটি সঠিকভাবে সম্পন্ন হয় না। ফলে ভুলে যাওয়ার সমস্যা দেখা যায়।

 ঘুম কম হলে বেশ কিছু দীর্ঘস্থায়ী রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। চিকিৎসকদের মতে, ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, যারা অনিদ্রায় ভুগছেন, তারা অন্য একটি দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্যসংকটেও ভুগছেন। ডায়াবেটিস, স্ট্রোক, অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন, হৃদরোগ বা উচ্চ রক্তচাপের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগ ঘুমের অভাবের সঙ্গে জন্ম নেয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত