মশার কামড় থেকে বাঁচতে আমরা নানাভাবে মশা তাড়ানোর উপায় বেছে নিই। বর্ষা মৌসুমে মশার উপদ্রব বাড়ে। সেই সঙ্গে বাড়ে মশাবাহিত রোগ যেমন- ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার প্রকোপ। মশা তাড়াতে কয়েল খুব জনপ্রিয়। কিন্তু কয়েল কতটা স্বাস্থ্যকর তা নিয়ে দ্বিমত আছে। তাই মশা তাড়াতে আমরা কিছু ঘরোয়া উপায় বেছে নিতে পারি।
পানি জমিয়ে না রাখা বা পানি জমতে না দেওয়া : জমা পানি হলো মশার আঁতুড়ঘর। বাড়ির আশপাশে পানি জমে থাকলেই মশার উপদ্রবে নাজেহাল হতে হবে। তাই ঘরের কোথাও পানি জমতে দেওয়া চলবে না।
সেই সঙ্গে ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বাথরুমে অহেতুক পানি জমিয়ে রাখবেন না। ছাদে বৃষ্টির পানি যাতে না জমে সেদিকে খেয়াল রাখা। বাড়ির ডাস্টবিনে পানি জমছে কি না খেয়াল রাখুন। খালি গাছের টব রাখা থাকলে সেগুলো উল্টে রাখুন।
কর্পূর : সন্ধ্যা হলেই মশার উপদ্রব বাড়ে। তাই সূর্য ডোবার আগেই ঘরের কোণে এক টুকরো কর্পূর জ¦ালিয়ে দিন। জানালা, দরজা বন্ধ করে দেবেন। কিছুক্ষণ পর জানালা খুলে দিন। এতে মশা ঘরে ঢুকবে না।
ক্যাটনিপ অয়েল : বিড়ালকে ভালো রাখতে অনেকেই ক্যাটনিপ অয়েল তেল ব্যবহার করেন। তবে কেবল বিড়ালের কাজেই লাগে না, পাশাপাশি মশা তাড়াতেও বেশ কার্যকর ক্যাটনিপ অয়েল।
ধুনার সঙ্গে নিমপাতা গুঁড়া : ঘরে ধুনা দিলে মশা কম হয়। ধুনার সঙ্গে নিমপাতা গুঁড়া মিশিয়ে নিয়েও ব্যবহার করতে পারেন। এতে ভালো কাজ দেবে।
পিপারমিন্ট অয়েল : মশা তাড়াতে ঘরে পিপারমিন্ট অয়েলযুক্ত সুগন্ধি মোম জ্বালান। তা ছাড়া পিপারমিন্ট তেল গায়েও মাখতে পারেন। এতে মশা আপনার ধারেকাছেও ঘেঁষবে না। তবে সরাসরি এই তেল গায়ে মাখলে র্যাশ বেরোতে পারে। তাই নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে মাখুন।