ওরা যেতে পারে অনেক দূর

আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ১২:৩৪ এএম

এ সময়ের তরুণদের মধ্যে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়। সে যদি নিজেকে মেন্টেইন করতে পারে অনেক দিন বাংলাদেশের ফুটবলকে সার্ভিস দিতে পারবে। তার বড় গুণ গোল করা ও করানো। বিদেশিদের সঙ্গে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিয়েছে। আমি মনে করি ওকে গড়ে তোলার পেছনে সাইফের বড় কৃতিত্ব আছে। প্রায় চার বছর সে সাইফের ক্যাম্পে আছে। আগের মৌসুমগুলোতে সেভাবে আলো ছড়াতে না পারলেও এ বছর অসাধারণ খেলছে। অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার পজিশনে এখন খুব ভালোমানের খেলোয়াড় নেই। এই পজিশনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার ভালো সম্ভাবনা আছে তার। এছাড়া টিম প্লেয়ার হিসেবে অনেক ভালো।

এনামুল ইসলাম গাজী

সুযোগ দিলে যেকোনো সময় যেকোনো দলের জন্য ভয়ংকর একজন খেলোয়াড়। বাঁ পা খুব স্ট্রং। ওর বড় বিশেষত্ব বল নিয়ে বাম দিক থেকে আক্রমণে ঢুকতে পারে। যেকোনো সময় গোল করার সামর্থ্য আছে। গত বছর ফেডারেশন কাপে আবাহনীর বিপক্ষে গোল করে খেলাটি টাইব্রেকারে নিয়ে গিয়েছিল। সম্ভাবনাময় প্লেয়ার। ক্রুশিয়াল সময় গোল করার দক্ষতা আছে। উইথ বল খুবই ভালো। ডজিং পাওয়ারও ভালো। গতিতেই বল নিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার প্রবণতা। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে খানিকটা দুর্বল। যথেষ্ট খেলার সুযোগ পেলে ভালো করবে।

সমৃদ্ধ নক্রেক

ঢাকার মাঠে পুরনো হলেও গত মৌসুম থেকেই অসাধারণ খেলছে। আমার মতে স্টপারব্যাক পজিশনে এ সময়ের তরুণদের মধ্যে সেরা। ওর বড় গুণ হচ্ছে স্টপারব্যাক পজিশন থেকে দ্রুত আক্রমণে উঠে গোল করা। যেই গুণটা দেখা যেত কায়সার হামিদ, মোনেম মুন্নাদের মধ্যে। ঠা-া মাথার স্টপার এখন খুব একটা দেখা যায় না। ও খুবই ঠা-া মাথার খেলোয়াড়। উচ্চতাও বেশ ভালো।

সাব্বির হোসেন

বয়স ১৯। বহুদিন পর একজন লিংকম্যানকে ঢাকার মাঠে দেখা যাচ্ছে। ইলিয়াস হোসেনের মতো একজন খেলোয়াড় হয়তো দেশ পেতে যাচ্ছে। মানিক মোল্লার মধ্যে এই গুণগুলো শুরুতে ছিল। তবে এক মৌসুমেই সে হারিয়ে গেছে। উচ্চতা, বলের নিয়ন্ত্রণ, ডিফেন্ডিংয়ে পারদর্শী। হোল্ডিং মিডফিল্ডার হলেও গোল করার ক্ষমতা আছে। এই উচ্চতার মিডফিল্ডার খুব বেশি দেখা যায় না।

আসাদুল ইসলাম সাকিব

বিকেএসপির খেলোয়াড়। চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে গত মৌসুমে খেলেছে উত্তরা ফুটবল ক্লাবের হয়ে। বয়স ১৭-১৮র বেশি হবে না। এই বয়সেই লেফট উইঙ্গার হলেও রাইট উইং হিসেবেও নজর কেড়েছে। একক নৈপুণ্যে প্রতিপক্ষের ডিফেন্স ভাঙার ক্ষমতা আছে। ওয়াল পাসে অনেক দক্ষ। যদ্দূর জানি সে জাতীয় দলের উইঙ্গার রাকিব হোসেনের ভাই। শারীরিক সক্ষমতা ভাইয়ের মতো না হলেও বল পায়ে কারুকাজ বেশ ভালো। ওয়ান পাসে দক্ষ। ওর মধ্যেও আমি ভালো সম্ভাবনা দেখি।

জিল্লুর রহমান

প্রায় প্রতিটি দলেই বিদেশি স্ট্রাইকাররা খেলে। এদের মধ্যে যদি তাকে খেলানো হয়, তাহলে বাংলাদেশি স্ট্রাইকারদের মধ্যে চমক সৃষ্টি করবে। গতবার চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের অর্ধেকটা খেললেও অনেকগুলো গোল করেছে। শরীরী গঠনও বেশ ভালো। তার মধ্যে ভবিষ্যতে জাতীয় দলের আক্রমণভাগকে নেতৃত্ব দেওয়ার গুণাবলি দেখি। তবে তাকে যথেষ্ট খেলার সুযোগ পেতে হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত