দুই ম্যাচের টেস্ট ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে শ্রীলঙ্কাকে জয়হীন রাখার পর একমাত্র টি-টোয়েন্টিও নিজেদের করে নিয়েছে নিউ জিল্যান্ড। দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা ডগ ব্র্যাসওয়েল ও অভিষিক্তি স্কট কুগেলেইনের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ম্যাচটিতে সহজ জয় পেয়েছে কিউইরা।
অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে শুক্রবার নিউ জিল্যান্ডের জয়টি ৩৫ রানের। ৭ উইকেটে তাদের করা ১৭৯ রানের জবাবে ১৯ বল বাকি থাকতেই ১৪৪ রানে গুঁড়িয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।
এর আগে লঙ্কানদের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ১-০ ব্যবধানে ও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি ৩-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নেয় নিউ জিল্যান্ড। মাসব্যাপী নিউ জিল্যান্ড সফরে কোনো ম্যাচেই জয়ের দেখা পেল না লঙ্কানরা।
একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে অবশ্য জয়ের আশা দেখিয়েছেল সফরকারীরা। টস জিতে নিউ জিল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে মাত্র ৫৫ রানে ৫ উইকেট তুলে নেয় তারা। কিন্তু প্রতিপক্ষকে বড় সংগ্রহ থেকে দূরে রাখতে পারেনি লঙ্কান বোলাররা। ২৬ বলে ব্র্যাসওয়েলের ৪৪ রান ও ১৫ বলে কুগেলেইনের অপরাজিত ৩৫ রানে বড় সংগ্রহ পেয়ে যায় নিউ জিল্যান্ড।
জবাবে ভালো এগুচ্ছিল শ্রীলঙ্কা। ১২ ওভার পর্যন্ত তাদের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ১১৮। এরপরই যেন খেই হারাল দলটি। ২৬ রানের মধ্যে হারিয়ে ফেলে বাকি চার উইকেট।
ব্যাটিংয়ে নৈপুণ্য দেখানো কুগেলেইন ও ব্র্যাসওয়েল জ্বলেছেন বোলিংয়েও। বোলিংয়ে এসেই উইকেট পেয়েছেন তারা।
শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ২৪ বলে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন থিসারা পেরেরা। ১২ বলে সর্বোচ্চ ২২ রান করেন কুশল পেরেরা। দুই অঙ্ক স্পর্শ করা দলটির অন্য ব্যাটসম্যান হলেন নিরোশান ডিকভেলা (১৮), কুশল মেন্ডিস (১৭) ও ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা (১০)।
নিউ জিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল লকি ফার্গুসন। তিন ওভারে ২১ রানে তিন উইকেট নেন ডানহাতি এই পেসার। ৩০ রানে তিন উইকেট নেন ইশ সোধি। একটি করে উইকেট নেন টিম সাউধি, কুগেলেইন, ব্র্যাসওয়েল ও মিচেল সান্টনার।
অলরাউন্ডিং নৈপুণ্যে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন নিউ জিল্যান্ডের ব্র্যাসওয়েল।
