ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আওলাদ হোসেনকে রাস্তায় ফেলে পিটিয়েছে সদর থানার ট্রাফিক পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাহ আলম। গত রবিবার বিকেলে ভোলা শহরের বাংলা স্কুল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সুপার মোক্তার হোসেন গতকাল সোমবার বিকেলে এএসআই শাহ আলমকে প্রত্যাহার করেন।
রবিবারের ওই ঘটনার ভিডিও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, আওলাদ হোসেনকে এএসআই শাহ আলম রাস্তায় ফেলে এলোপাতাড়ি মারছে, গালাগাল দিচ্ছে।
গতকাল সকালে আওলাদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমি শেখ হাসিনার একজন কর্মী হয়ে যদি এ ঘটনার বিচার না পাই তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে।’ ঘটনার বর্ণনায় আওলাদ বলেন, তিনি ও তার বন্ধু ছাত্রলীগের এক কর্মী দুটি মোটরসাইকেলে করে রবিবার বিকেলে বোরহানউদ্দিন থেকে ভোলা জেলা শহরে আসেন। শহরের বাংলা স্কুল মোড়ে ট্রাফিক তাদের মোটরসাইকেল থামায়। তার মোটরসাইকেলের কাগজপত্র যাচাই করে ঠিক পাওয়ায় পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। কিন্তু হেলমেট না থাকাসহ কাগজে কিছু ত্রুটির কারণে বন্ধুর মোটরসাইকেলটি আটকে রাখে। এ সময় আওলাদ বন্ধুর মোটরসাইকেলটি ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে সেখানে দায়িত্বরত এএসআই শাহ আলম। একপর্যায়ে শাহ আলম আওলাদের ওপর চড়াও হয়। গলার মাপলার ধরে টেনে মাটিতে ফেলে দিয়ে লাথি মারতে থাকে। ওই সময় কয়েকজন পথচারী এই দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করে। অনেকে ভিডিওটি ফেইসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে।
অভিযুক্ত শাহ আলম এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি দাবি করেন, ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে সমঝোতা হয়েছে।
ভোলা পুলিশ সুপার মোক্তার হোসেন গতকাল বিকেলে জানান, এএসআই শাহ আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সদর থানার ওসি মো. ছগির মিয়া বলেন, দুজনের মধ্যে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। তবে তাদের মধ্যে সমঝোতা করে দেওয়া হয়েছে।
