মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘শনিবারের বিকেল’ ছবিটি সেন্সরে আটকে আছে। বেশ কিছু কারণ দেখিয়ে সেন্সর বোর্ড ছবিটিকে ছাড়পত্র দেয়নি। যদিও সেন্সরে জমা দেওয়ার আগেই ছবিটি নিয়ে বেশ বিতর্কের জন্ম হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সেই সব বিতর্কের জবাবে শুক্রবার রাত ১০টায় ফারুকী নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে পাল্টা বক্তব্য তুলে ধরেন। ফারুকীর স্ট্যাটাসটি দেশ রূপান্তর পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।
‘‘ভেবেছিলাম আমি ফেসবুকে কোনো কথা বলব না। সেন্সর বোর্ড ছবি আটকেছে, আমরা আপিল করব। ব্যাস।
কিন্তু একটা ডাহা মিথ্যা কথা যখন অনলাইনে ছড়িয়ে ঘৃণা উসকে দেওয়া হয়, তখন আর আসলে চুপ থাকার সুযোগ নাই। দেখতে পাচ্ছি হুজুররা ওয়াজ পর্যন্ত করছেন এটা নিয়ে এবং হাজার হাজার মানুষ সেটা শেয়ার পর্যন্ত দিচ্ছেন।
পরিষ্কার করে বলছি, শনিবার বিকেল ছবিতে জাহিদ হাসান এবং তিশার অভিনীত চরিত্র সন্ত্রাসীর নয়। তারা দুজন ধর্মপ্রাণ মুসলমানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। একদল জ্ঞানপাপী অনলাইনে মিথ্যা বলেছেন যে, জাহিদ এবং তিশা সন্ত্রাসী চরিত্রে অভিনয় করেছেন এবং তাদের গায়ে ইসলামি লেবাস দেওয়ার মাধ্যমে ইসলাম অবমাননা করা হয়েছে। ওই জ্ঞানপাপীরা আপনাদের বিভ্রান্ত করছে। আমরা দ্রুতই ট্রেলার ছাড়ব। তখনই পরিষ্কার হয়ে যাবে, যে এটার পেছনে একটা ভয়াবহ মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালানো হয়েছে। বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ এবং ধর্মীয় নেতাদের প্রতি আমার আহ্বান, দয়া করে কারও খেলার গুঁটি হবেন না। দয়া করে কোনো মিথ্যা প্রচারণায় বিভ্রান্ত হবেন না।
আমরা জানি, সরকারের একটা বিশেষ সেল আছে গুজব প্রতিরোধের। তারা কি একটু খুঁজে দেখতে পারে এই মিথ্যাটা কারা ছড়াল প্রথম? তাদের কি বিচারের আওতায় আনা যায়?’’
