মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) জামাল উদ্দীন আহমেদ কর্মীদের সতর্ক করে বলেছেন, সরষের ভেতর যেন ভূত না থাকে। কারও পকেটে ইয়াবা ঢুকিয়ে হয়রানির প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও শান্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার খুলনা মহানগরের সিএসএস আভা সেন্টারে ‘অপরাধ দমনে আইনের প্রয়োগ এবং কর্মকৌশল ও সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক আট দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামাল উদ্দিন আরও বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী ১ হাজার ৫৯৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে বর্তমানে ১ হাজার ১৮২ জন রয়েছেন। মাদকের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে জনবল দ্বিগুণ করে মাদকমুক্ত দেশ গড়ে তোলা হবে। এ সময় তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ প্রশাসন ও সিভিল প্রশাসনসহ সবাইকে অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালনের আহ্বান জানান। মাগুরা ও নড়াইল জেলাকে মাদকমুক্ত ঘোষণার জন্য ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দের ঘোষণাও দেন। এ ছাড়া খুলনার দাকোপ উপজেলাকে মাদকমুক্ত করতে জেলা প্রশাসনকে সহযোগিতার সর্বাত্মক আশ্বাস দেন তিনি।
