নিখোঁজের ১০ দিন পর সেপটিক ট্যাংকে শিশুর লাশ

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০১৯, ১২:২৮ পিএম

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরে একটি টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে আল-আমিন মাঝি নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার সখিপুর থানার চরকুমারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর নাজিমউদ্দিন মোল্লা কান্দি গ্রামের হাফেজ শরীফ মোল্লার বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

রোববার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আল-আমিন মাঝি (১১) উপজেলার সখিপুর থানার চরকুমারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর নাজিমউদ্দিন মোল্লা কান্দি গ্রামের স্বপন মাঝির ছেলে। সে ৭৬ নং বাহেরচর কদমতলী মোল্লা বাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত ১৭ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একই গ্রামের বাহেরচর নাজিমউদ্দিন মোল্লার কান্দি জামে মসজিদে ওয়াজ শোনার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় আল-আমিন। পরে আর বাড়ি ফেরেনি। পরিবার এলাকা ও আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে অনেক খোঁজাখুঁজির পরও না পেয়ে আল-আমিনের বাবা সখিপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

নিখোঁজের ১০ দিন পর শনিবার রাত ৭টার দিকে বাড়ির ১৫০ ফুট দূরে হাফেজ শরীফ মোল্লার বাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর আল-আমিনের বাবা স্বপন মাঝি ও ফুপা ছালাম মাঝি লাশটি খুঁজে পায়। পরে সখিপুর থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

আল-আমিনের ফুপা ছালাম মাঝি বলেন, আল-আমিন খুব ভালো ছেলে। আমাদের ধারণা আল-আমিনকে হত্যা করে ট্যাংকের ভেতর রাখা হয়েছে। যারা আল-আমিনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি।

সখিপুর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক এনাম বলেন, ১০ দিনে লাশটি গলে গেছে। এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে আল-আমিন নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা সাধারণ ডায়েরি করেছিল।'

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত