নির্দিষ্ট করে না বললে মহাসমুদ্রে কাকে খুঁজব

আপডেট : ৩০ জানুয়ারি ২০১৯, ০৪:৪৩ এএম

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, ‘ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) সঙ্গে আমাদের দ্বিমত থাকতে পারে, তবে আমরা কেউ কারও প্রতিপক্ষ নই। তাদের প্রতিবেদনকে স্বাগত জানাই, কিন্তু সঠিক ও নির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত না দিলে আমরা সেটা বিশ্বাস করি না।’

গতকাল মঙ্গলবার সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিজ অফিস কক্ষে টিআইবি ও গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটির প্রতিবেদনের বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে গতকাল সকালে রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি জানায়, ২০১৮ সালে দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘গালভরা রিপোর্ট সবাই দিতে পারে। আপনাকে বলতে হবে কোন সরকারি কর্মকর্তা, কোন রাজনৈতিক নেতা দুর্নীতি করছে। কারা কীভাবে কোথায় অর্থ পাচার করছে। তা না হলে, এ মহাসমুদ্রে আমি কাকে ধরব? কাকে খুঁজব? আপনাদের রিপোর্টে যদি অ্যানালিটিকস না থাকে, ফ্যাক্টস অ্যান্ড ফিগার না থাকে, তবে সে রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না।’

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘টিআইবিকে আমরা আগেও বলেছি, আপনারা কোন মেথোডোলজি ইউজ করেছেন আমাদের জানান। নিশ্চয়ই তাদের কাছে অ্যানালিটিকস আছে। ফ্যাক্টস অ্যান্ড ফিগার আছে। আমাদের কাছে এখনো প্রতিবেদনটি এসে পৌঁছায়নি। হাতে এলে আমরা তা দেখব।’

২৮ জানুয়ারি ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান জিএফআই তাদের গ্লোবাল রিপোর্টে জানায়, কেবল ২০১৫ সালেই বাংলাদেশ থেকে ৪৯ হাজার কোটি টাকার ওপর পাচার হয়েছে। গত ১০ বছরে (২০০৬ থেকে ২০১৫) বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৩০৯ কোটি ডলার অর্থাৎ ৫ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত