সেই জানুয়ারিতেই মেলে সুখবর। বাংলাদেশের দুই হকি তারকা রাসেল মাহমুদ জিমি ও ফরহাদ আহমেদ সিতুলের সুযোগ মেলে মালয়েশিয়ান হকি লিগে খেলার। কিন্তু জানুয়ারি পেরিয়ে গেলেও সব প্রক্রিয়া শেষ করে এই দুই খেলোয়াড়ের দেশ ছাড়া হচ্ছিল না। তবুও আশায় ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত কপালই পুড়েছে এই দুই হকি খেলোয়াড়ের। মালয়েশিয়ান লিগে খেলতে যাওয়াই হচ্ছে না জিমি-সিতুলের।
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক জিমি ও সর্বশেষ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়া সিতুল দুজনই বাংলাদেশ নৌবাহিনীর খেলোয়াড়। মালয়েশিয়ান লিগে এই দুই খেলোয়াড়ের খেলার ব্যাপারে সার্ভিস টিম থেকে ইতিবাচক সাড়াই মেলে। তবে সশস্ত্রবাহিনী ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের অনুমতি মেলেনি। আর সে কারণেই মালয়েশিয়ান লিগে খেলার সম্ভাবনা এবারের মতো শেষ হয়ে গেছে জিমি-সিতুলের। বিষয়টি দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেছেন জিমি।
মালয়েশিয়ার সর্বোচ্চ পর্যায়ের হকি লিগ- ডিভিশন ওয়ানে মারা ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ক্লাবে জিমি-সিতুলের খেলার ব্যবস্থা করেন জাতীয় দলের সাবেক কোচ ইয়ান গোবিনাথন কৃষ্ণমূর্তি। সর্বশেষ এশিয়ান গেমসে তার অধীনেই খেলেছিল বাংলাদেশ। ২০০৯ সালে শেষবার মালয়েশিয়ান লিগে খেলা জিমির সামনে ১০ বছর পর সুযোগ মিলেছিল আবারও সেই দেশের লিগটিতে খেলার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব ভেস্তে যাওয়ায় বেশ হতাশা তিনি।
দেশ রূপান্তরকে জিমি বলেন, ‘‘মালয়েশিয়ান লিগ খেলার সুযোগ সবার হয় না। আমি সেই ২০০৯ সালে ওখানে খেলেছিলাম। বড় প্লাস পয়েন্ট হয়, সেখানে ভারত-পাকিস্তানের খেলোয়াড় বেশি থাকে। ওদের মাঝে খেলা অনেক বড় একটা ব্যাপার। তা ছাড়া ভালো ট্রেনিং হতো। ম্যাচও খেলতে পারতাম। আশা করি পরবর্তীতে আর এই সমস্যাটা হবে না।’’
১১ জানুয়ারি মালয়েশিয়ান লিগটি শুরু হয়ে এখন অবশ্য প্রায় শেষের পথে।
