রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

সেতুর অভাবে মানিকগঞ্জের ১৩ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১:৪৪ পিএম

জেলার সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ঘাটে স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরও সেতু তৈরি হয়নি। এতে কয়েক শ শিক্ষার্থীসহ ১৩টি গ্রামের হাজারো মানুষের সীমাহীন কষ্ট করতে হচ্ছে। একবার খেয়ায় উঠতে ব্যর্থ হলে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়। আবার সন্ধ্যার পরেই বন্ধ হয়ে যায় খেয়া পারাপার।সরেজমিনে দেখা যায়, ধলেশ্বরী নদীর বরাইদ ঘাটটি সাটুরিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী বরাইদ ও তিল্লী ইউনিয়নে মাঝখানে অবস্থিত। এ ঘাট ঘেঁষেই বরাইদ ইউনিয়নের সাভার হাট, ফয়জুন্নেছা উচ্চবিদ্যালয়, বরাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থীকে সারা বছরই বরাইদ ঘাট পার হতে হয়। একটি খেয়ায় উঠতে ব্যর্থ হলেই ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়।

এ খেয়াঘাট পার হওয়ার সময় বরইদ ইউনিয়নের পশ্চিম শিমুলিয়া গ্রামের আরমান আলী বলেন, এ ঘাট দিয়ে বরাইদ, ছনকা, ঘুনা, আগ-সভার, সাভার, হামজা, নাগরপুর উপজেলার বাড়িগ্রাম, বেলতুইল, পাকুটিয়া, হাটাইল, বনগ্রামের গ্রামের মানুষকে প্রতিদিন পার হতে হয়। তা ছাড়া টাঙ্গাইলের নাগপুর ও সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার অনেক মানুষ এ ঘাট পার হয়ে সাটুরিয়া হয়ে ঢাকায় যাতায়াত করেন। এ এলাকার সাহেরা বেগম (৬০) বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন থেকেই এ ঘাট দিয়ে পার হচ্ছি।’ স্বাধীনতার ৪৮ বছর পার হলেও এ ঘাটে সেতু না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

বরাইদ গ্রামের সোনা মিয়া বলেন, রাত ৮টার পরে এ ঘাটে এলে মাঝি পাওয়া যায় না।  অনেক ডাকাডাকি করে মাঝিকে না পাওয়া গেলে সাঁতার কেটে ঘাট পার হতে হয়। ফয়জনেন্নছা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র রাসেল বলে, খেয়ায় উঠতে ব্যর্থ হলেই ক্লাসে যেতে দেরি হয়।

বরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশিদ বলেন, বরাইদ ও রাজর ঘাটে দুটি সেতু নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পল্লী উন্নয়ন ও সেতু বিভাগে আবেদন পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে সাটুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. আইয়ুব আলী বলেন, সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী এবাদুর রহমান ইতিমধ্যে এ ঘাট এলাকা পরিদর্শন করেছেন। সম্ভাব্য জরিপ কাজ চলছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত