সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

পা মচকে গেলে

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:৩৩ এএম

পা শরীরের ওজন বহন করে, তাই পায়ের ওপর বেশি চাপ পড়ে। হঠাৎ করে পা মচকে যাওয়ার সমস্যা অনেকেরই হয়। পা মচকে গেলে অসহ্য যন্ত্রণা, ফোলার চোটে পা দিয়ে হাঁটা কঠিন হয়ে পড়ে। যত্ন না নিলে এই ব্যথা অনেক দিন থাকে।

১. সঙ্গে সঙ্গে পায়ের জুতো খুলে ফেলুন। সম্ভব হলে শুয়ে থাকুন এবং আহত পায়ের নিচে বালিশ বা কম্লম দিয়ে পা এমন উঁচুতে রাখুন, যেন তা হৃৎপিন্ডের লেভেল থেকে ওপরে থাকে।

২. গোড়ালি জয়েন্টে একটি পরিষ্কার কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে সেটা দিয়ে স্যাক দিন। আঘাত পাওয়ার প্রথম ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা অথবা ফোলা না কমা পর্যন্ত প্রতি দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরপর ১০ থেকে ২০ মিনিট পরে আইস প্যাক লাগান। সরাসরি বরফ লাগানো যাবে না।

৩. কোনো ধরনের তেল কিংবা হাত দিয়ে জায়গাটি ম্যাসাজ করতে যাবেন না।

৪. মোটা কাপড় দিয়ে গোড়ালির কিছুটা ওপর থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত পেঁচিয়ে কিংবা মোটা কাপড়ের মধ্যে পা ঢুকিয়ে তারপর ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে ফেলুন। মোটা কাপড় না থাকলে তুলোর প্যাড ব্যবহার করে তারপর ব্যান্ডেজ বাঁধুন। বাঁধনটি যেন খুব শক্ত না হয়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন।

৫. রোগীকে পায়ের ওপর দাঁড় করানো কিংবা হাঁটতে বলা যাবে না।

৬. যদি হাড় সরে যায়, তাহলে তা টেনে ঠিক করার চেষ্টা করবেন না।

৭. এরপর রোগীর যাতে হাঁটা না লাগে এমনভাবে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান। যাতে গোড়ালিতে চাপ না পড়ে।

৮. বারবার একই জায়গায় পা মচকানো, যা পরে ওই সন্ধিতে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষয়জনিত সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। তাই খেলাধুলা ও দ্রুত হাঁটাচলার সময় সাবধানে থাকুন, পায়ের পাতার ভারসাম্য বজায় থাকে এমন জুতা পরুন, সিঁড়ি ভাঙার সময় সাবধান হন। অতিরিক্ত হাইহিল জুতা পরিহার করুন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত