সিইসি বললেন

একাদশ সংসদ নির্বাচন ‘রেকর্ডে রাখার মতো’

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০২:২৪ এএম

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন মহলের নানা প্রশ্নের মধ্যেই এবার এটিকে ‘রেকর্ডে রাখার মতো নির্বাচন’ বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। গতকাল সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ঢাকা উত্তর সিটির উপনির্বাচন ও দুই সিটির নতুন ওয়ার্ডগুলোর নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটির সভায় এ কথা বলেন তিনি।

একাদশ নির্বাচনের ‘সংঘাতগুলো নির্বাচনকেন্দ্রিক’ হয়নি দাবি করে সিইসি বলেন, ‘ওগুলো বেশিরভাগই ঘটেছে ভোটকেন্দ্রের বাইরে। তবুও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চিত্র রেকর্ডে রাখার মতো সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে হয়েছে। এটা আমি দাবি করতে পারি প্রকাশ্যে।’

দশম সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে তুলনা করে সিইসি বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচনে যেমন সহিংসতা ঘটেছিল, তা একাদশ নির্বাচনে ঘটেনি। যদিও কয়েকটি ঘটনায় পাঁচজনের প্রাণহানি ঘটেছিল। এসব প্রাণহানির ঘটনায় ইসি মর্মাহত হয়েছে।’

একাদশ নির্বাচনকে ‘বিরল সুষ্ঠু নির্বাচন’ দাবি করে এমন নির্বাচন আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন সিইসি। তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালের পরিস্থিতি থেকে ২০১৮ সালে এরকম বিরল সুষ্ঠু নির্বাচন উত্তরণে আপনারাই ভূমিকা রেখেছেন। এজন্য আপনাদের ধন্যবাদ। একেবারে ধ্বংসপ্রায় অবস্থা থেকে (নির্বাচনকে) একটা সুষ্ঠু অবস্থায় আপনারা নিয়ে এসেছেন।’ এর ধারাবাহিকতা আসন্ন ঢাকা সিটি নির্বাচন ও উপজেলা নির্বাচনেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন নুরুল হুদা।

তফসিল অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তরে মেয়র পদে উপনির্বাচন এবং উত্তর-দক্ষিণের সম্প্রসারিত ৩৬ ওয়ার্ডে ভোট হবে। উপজেলা পরিষদের ভোট শুরু হচ্ছে ১০ মার্চ থেকে।

ঢাকার নির্বাচনকে গুরুত্ব দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আহ্বান জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘এই নির্বাচনের বিষয়ে কোনোরকম বিচ্যুতি হবে না এমন ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। নির্বাচন যাতে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য হয় সেটার দিকে সবাইকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে।’

পোলিং এজেন্ট নিয়ে অভিযোগের ব্যাপারে নুরুল হুদা বলেন, ‘পোলিং এজেন্ট নিয়ে ৯৮ ভাগ অভিযোগের সত্যতা থাকে না। ভোটের দিন অনেক এজেন্ট প্রার্থীর অবস্থা ভালো না দেখলে কেন্দ্র ছেড়ে যান। অনেক দুর্বল প্রার্থী আবার এজেন্টই দিতে পারেন না। এমন বাস্তবতায় ভোট শেষে অনেকে তাদের এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন, যা অনেকাংশেই সত্য নয়।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত