সিটি নির্বাচন

প্রার্থীদের ‘নজরদারিতে রাখবে’ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০২:৪২ এএম

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে প্রার্থীদের নজদারিতে রাখবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গতকাল সোমবার নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে করণীয় নির্ধারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সঙ্গে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই বৈঠকে উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপ থেকে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপনির্বাচন ও ২০টি ওয়ার্ডের নির্বাচন  হবে। অন্যদিকে একই দিনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ১৮টি ওয়ার্ডের ভোট গ্রহণ করা হবে।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রার্থীদের কড়া নজরদারির মধ্যে রাখবে। কোনো প্রকার অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও গণ্ডগোল বিষয়ে চিন্তা যাতে তারা না করতে পারেন, সেজন্যই এটা করা হবে। যদি তারা সে রকম করছেন বলে প্রশাসন জানতে পারে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সচিব আরও বলেন, ভোটকেন্দ্র নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটিতে সর্বোচ্চ ২৪ জনের ফোর্স রাখা হবে। এ ক্ষেত্রে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ২২ জন করে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২৪ জন করে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবেন। ডিএনসিসিতে পুলিশের মোবাইল টিম থাকবে ২৭টি, স্ট্রাইকিং ফোর্স ১৮টি ও র‌্যাবের মোবাইল টিম থাকবে ২৮টি। আর বিজিবির মোবাইল টিম থাকবে ২৭টি। এ ছাড়া ডিএসসিসিতে পুলিশের মোবাইল ফোর্স থাকবে ৯টি, স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে ছয়টি, র‌্যাবের মোবাইল টিম থাকবে ৯টি ও বিজিবির মোবাইল টিম থাকবে ৯টি। এ ছাড়া র‌্যাব ও বিজিবির ওয়েটিংয়ে থাকা কিছু মোবাইল টিমকে প্রয়োজন হলে কাজে লাগানো হবে।

হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, নির্বাচনে আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিতের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট আছেন। তারা ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটদান ও নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে রাখতেও কাজ করবেন।

উপজেলার তৃতীয় ধাপে ইভিএমে ভোট : হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপ থেকে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট গ্রহণ করা হবে। আগামী ২৪ মার্চ তৃতীয় ধাপে ১২৭ উপজেলায় ভোট গ্রহণ করা হবে। দেশের ৪৯২ উপজেলায় পাঁচ ধাপে ভোটগ্রহণ শেষ করার কথা রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত