শ্রমিক নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীকে আমিরাতের সাড়া

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৩:১৬ এএম

যুবরাজ শেখ মোহাম্মাদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান সংযুক্ত আরব আমিরাতের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি শ্রমিকদের অন্তর্ভুক্তি এবং বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রদর্শন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্বস্ত করেছেন। আবুধাবির ওয়্যাল প্যালেস প্রাসাদে গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি বলেন, তিনি বাংলাদেশ সফরেও আসতে পারেন এবং আরব আমিরাতের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি শ্রমিকদের অন্তর্ভুক্তি এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়টি খুব ইতিবাচক মনোভাব নিয়েই বিবেচনা করবেন।

দিনব্যাপী প্রধানমন্ত্রীর নানা অনুষ্ঠান শেষে বিকেলে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আমিরাতের যুবরাজকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থপতি শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের একটি আলোকচিত্রও উপহার দেন। যুবরাজ প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সাপ্তাহিক মজলিসে নিয়ে যান এবং সেখানকার নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাকে বিশেষ সম্মান প্রদর্শন করেন। শহীদুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী এ সময় রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়েও যুবরাজের সঙ্গে আলোচনা করেন। যুবরাজ রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে তার দেশের বাংলাদেশের পাশে থাকার সদিচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করেন।

শহীদুল হক বলেন, এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে দুবাইয়ের শাসক শেখ আহমেদ ডালমুখ আল মাকতুমের সঙ্গেও এক অনির্ধারিত বৈঠকে মিলিত হন। সেখানেও উভয়ের মধ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগ এবং বাংলাদেশের শ্রম রপ্তানির বিষয়টি আলোচিত হয়। শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সদস্যদের একটি অংশ দুবাইয়ের বাহার প্রাসাদে দুবাই মাতা এবং দেশটির স্থপতি শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের স্ত্রী শেখ ফাতিমা বিনতে মুবারাক আল কেতবীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

গতকাল সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী ও উপরাষ্ট্রপতি শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও হয়। বৈঠকে দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স শেখ হামদান বিন মোহাম্মাদ বিন রশিদ আল মাকতুম ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত রবিবার বিকেলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে আমিরাত ও বাংলাদেশের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত