ঋণপ্রবৃদ্ধি কমেছে নির্বাচনের কারণে : গভর্নর

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১২:৪৪ এএম

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেছেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি বেসরকারি খাত। ফলে এ খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধির বিষয়টি সব সময়ই সচেতনতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) গত শনিবার ‘বেসরকারি খাতে মুদ্রানীতির প্রভাব’ বিষয়ক সংলাপের আয়োজন করে। সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি।

গভর্নর ফজলে কবির  বলেন, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির হারের ক্ষেত্রে আমাদের লক্ষ্য ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর নাগাদ এটি ১৩ দশমিক ৩ শতাংশে  নেমে এসেছিল। এ জন্য তিনি জাতীয় নির্বাচনের বিষয়টি অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

তিনি আরও বলেন, মুদ্রানীতি এসডিজির লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেটে সুদের উচ্চ হার বিষয়ে গভর্নর বলেন, সমাজের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এবং বিশেষ করে পেনশনধারীদের নিরাপত্তার বিষয়টিতে প্রাধান্য দেওয়া

হয়েছে। খেলাপির বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে ঋণের প্রকৃতির বিষয়ে আরও সতর্ক হতে হবে। যে কাজের জন্য ঋণ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো যথাযথভাবে করা হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

তিনি জানান, ‘সাম্প্রতিক সময়ে মূলধনি যন্ত্রপাতিসহ শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত ভারী যন্ত্রাংশ ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি বেড়েছে। এতে প্রতীয়মান হয় যে, আমরা বাজারে আরও

বেশি পরিমাণ ডলারের প্রবাহ নিশ্চিত করতে পারব, যার মাধ্যমে ডলারের বিনিময় হার সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব হবে।’

তিনি জানান, খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমছে। গত বছরের নভেম্বরে এর পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ২৯ শতাংশ। তিনি জানান, ভবিষ্যতে মুদ্রানীতি ঘোষণার আগে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময়ের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিসিসিআই সভাপতি ওসামা তাসীর, ডিসিসিআইর ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদ ওসমান ইমাম প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত