চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের ‘ময়ূরপঙ্খী’ উড়োজাহাজের আটকে পড়া যাত্রীরা পৃথক একটি ফ্লাইটে সোমবার বেলা একটা বিশ মিনিটে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার সারওয়ার-ই-জামান দেশ রূপান্তরকে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সারওয়ার-ই-জামান জানান, রবিবার ছিনতাই চেষ্টার পর জরুরি অবতরণ করে ময়ূরপঙ্খী। এরপর যাত্রীদের নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়। ঢাকা থেকে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাংলাদেশ বিমানের অপর একটি বোয়িং বিমান (বিজি - ১২৭ ফ্লাইট) চট্টগ্রামে পাঠানো হয়। সেই বিমানে করেই যাত্রীদের দুবাই নেওয়া হয়।
বাংলাদেশ বিমানের স্টেশন ম্যানেজার মাহফুজুল আলম জানান, আটকা পড়া দুবাইগামী ১৪৮ জন যাত্রীকে রবিবার বিভিন্ন হোটেলে রাখা হয়। সোমবার দুপুরে তারা অন্য একটি ফ্লাইটে রওনা হয়ে যান।
তিনি আরো জানান, দুবাইগামী যাত্রীদের রোববার রাতেই গন্তব্যে পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু চট্টগ্রামে ঘন কুয়াশার কারণে তা সম্ভব হয়নি। তাই সোমবার তাদের দুবাই পাঠানো হয়।
অন্যদিকে, ছিনতাইয়ের কবলে পড়া বাংলাদেশ বিমানের ‘ময়ূরপঙ্খী’ বিমানটির ফ্লাইট স্থগিত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এটি অন্য রুটে যাত্রা করবে বলে সিভিল অ্যাভিয়েশন সূত্রে জানা গেছে।
উল্লেখ্য বিমানের বোয়িং-৭৩৭ মডেলের ময়ূরপঙ্খী (বিজি-১৪৭ ফ্লাইট) ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৩৪ যাত্রী ও ১৪ ক্রু নিয়ে রবিবার বিকাল ৫টা ৫ মিনিটে ছেড়ে চট্টগ্রাম হয়ে দুবাই যাওয়ার কথা ছিল। ঢাকা থেকে উড্ডয়নের পর পরই বিমানটি ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে। প্রায় আড়াই ঘণ্টার টান টান উত্তেজনার পর প্যারা কমান্ডের গুলিতে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারী যুবক পলাশ আহত হয় এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
