দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বেশ কিছু বড় প্রকল্প চলমান রয়েছে। এর মধ্যে পদ্মা সেতু নির্মাণ, পদ্মা রেল সেতু অন্যতম। এসর প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ওই অঞ্চলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বেড়ে যাবে ব্যাপকভাবে। ফলে মোংলা বন্দরের ওপর আলাদা চাপ সৃষ্টি হবে। এ ছাড়া ভারত, নেপাল ও ভুটানে ট্রানজিট সুবিধা চালু হলে এ বন্দরই ব্যবহার হবে। এ জন্য এই বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর চিন্তা করেছে সরকার। মোংলা বন্দরের কার্যক্রম দ্রুত করতে ভারী ক্রেনসহ অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি বসানো হবে। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জামও সংগ্রহ করবে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে ৪৩৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার এক প্রকল্প প্রস্তাবনা পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আগামী বুধবার অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। রাজধানীর শেরে বাংলানগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে হবে একনেক সভা। অনুমোদন পেলে ২০২১ সালের জুনের মধ্যেই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বেশ কিছু বড় প্রকল্প চলমান। এর মধ্যে পদ্মা সেতু নির্মাণ, পদ্মা রেল সেতু ও নতুন রেল লাইন, ঢাকা-মাওয়া-মোংলা মহাসড়ক উন্নয়ন, খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণ, রামপাল কয়লা বিদ্যুকেন্দ্র নির্মাণ, মোংলা বন্দর এলাকায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা, মোংলা ইপিজেড সম্প্রসারণ, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন ইত্যাদি কাজ এগিয়ে চলছে। আগামী ৩-৫ বছরের মধ্যেই এসব কাজ শেষ হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকা-ে বেশ গতি পাবে। এ ছাড়া ভারত, নেপাল ও ভুটানে ট্রানজিট সুবিধা চালু হলে এ বন্দরের চাহিদাও বাড়বে। তাই বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে এসব সরঞ্জাম কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
