২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বিলবোর্ড অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চে ‘উওম্যান অফ দ্য ইয়ার’ পুরস্কার নেন মিউজিক আইকন সেলিনা গোমেজ। ওই সময় নস্টালজিক হয়ে আবেগের ভেঙে পড়েন তিনি।
এই সুন্দরীর জীবন থমকে যেত বছর তখন যদি না সেলিনার পাশে দাঁড়াতেন বান্ধবী ফ্রান্সিয়া রায়সা। তাদের বন্ধু কল্পনাকেও হার মানায়।
ফ্রান্সিয়া মূলত অভিনেত্রী, সেলিনার সঙ্গে তার আলাপ হয় একটি সেলিব্রিটি ইভেন্টে।
সেলিনা যখন জানতে পারেন যে তার শরীরে বাসা বেঁধেছে ‘লিউপাস’, প্রথমে তিনি বোঝেননি কতটা মারাত্মক এই রোগ। এটি একটি অটোইমিউন ডিজিজ যা শরীরে প্রতিরোধ শক্তিকে ভেঙে দেয় এবং একে একে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খারাপ হতে থাকে।
এই রোগকে উপেক্ষা করে সেলিনা বিশ্ব সফরে যান, দিনের পর দিন স্টেজে পারফর্ম করেন। চিকিৎসকেরা যখন তাকে জানান যে অবিলম্বে তার কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট প্রয়োজন, সেলিনা ভেঙে পড়েন।
যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব অপারেশন করতে হবে অথচ দাতা পাওয়া মুশকিল। তখনই এগিয়ে আসেন ফ্রান্সিয়া। বন্ধুকে জানান যে তিনি দাতা হতে চান।
দু’জনের কাছেই অপারেশনটা অত্যন্ত জটিল ও প্রাণনাশকারী ছিল, সেলিনার ক্ষেত্রে একটু বেশি। কারণ ট্রান্সপ্লান্টের আগেই সেলিনার আরটারি ড্যামেজ হয়, তবে শেষ পর্যন্ত সেলিনার বেঁচে থাকার, লড়াই করার অদম্য ইচ্ছা এবং ফ্রান্সিয়ার বন্ধুত্বের জয় হয়।
তাই বিলবোর্ডের পুরস্কার মঞ্চে উঠে সেলিনা বলেন, এই পুরস্কার শুধু ফ্রান্সিয়ারই প্রাপ্য!
