শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

নথি গায়েব: হাইকোর্টে রাজউক কর্মচারীর ১১ বছর কারাদণ্ড

আপডেট : ০৪ মার্চ ২০১৯, ১২:২৬ এএম

বহুতল ভবনের নকশা ও নথি গায়েব করার ঘটনায় বিচারিক আদালতে খালাস পাওয়া রাজউকের (রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) স্টেনো ক্লার্ক মো. সফিউল্লাহকে ১১ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে হাইকোর্ট। তার খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা আপিলের শুনানি নিয়ে রবিবার এ রায় দেন বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

রোববার রায়ের দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে হাইকোর্টের রায়ে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আসিফ হাসান। আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফখরুল ইসলাম।

২০১৭ সালের ২১ নভেম্বর এ মামলায় সফিউল্লাহকে খালাস দিয়েছিল ঢাকার  বিশেষ জজ আদালত-৭। ওই রায়ের বিরুদ্ধে গত বছরের ৭ এপ্রিল হাইকোর্টে  আপিল করে দুদক।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজউকের সাবেক ইস্যু  ক্লার্ক ও (বর্তমানে স্টেট সেকশনের স্টেনো ক্লার্ক) সফিউল্লাহ বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দায়িত্বে অবহেলার মাধ্যমে রাজউকের বহুতল ভবনের নকশা অনুমোদন সংক্রান্ত ৫৭ টি নথি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের রেকর্ড রুমে না পাঠিয়ে সেগুলো বিনষ্ট ও গায়েব করার অভিযোগে ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিল থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দুদক। সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সফিউল্লাহকে খালাস দেয় বিচারিক আদালত।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক জানান, হাইকোর্টের রায়ে সফিউল্লাহকে দণ্ড বিধির দুটি ধারায় দুই বছর করে চার বছর ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় তাকে সাত বছরসহ মোট ১১ বছর কারাদণ্ড- দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি সাজা একসঙ্গে চলবে বলে তাকে সাত বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত