তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘আমি খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান রেখে বলছি, তাকে যখন আদালত প্রাঙ্গণে নিয়ে আসা হয় তখন তার সানগ্লাস পরা পরিপাটি চেহারা দেখি তাতে আমাদের কারও মনে হয় না যে তিনি অসুস্থ।’
শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের ঢাকা এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, রিজভী সাহেবে প্রতিদিন সংবাদ সম্মেলন করেন, দু একদিন অসুস্থ থাকলে বাদ যায়। কোনো ইস্যু না থাকলেও তিনি ইস্যু বানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি প্রতিদিন খালেদা জিয়াকে অসুস্থ করেন। তাদের কথা শুনলে মনে হয় তিনি (খালেদা জিয়া) অনেক অসুস্থ,
‘তার পায়ের যে সমস্যা এটা তার নতুন কোনো রোগ না। এ রোগ নিয়ে তিনি আগেও রাজনীতি করেছেন। তিনি কারাগারে যে সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন তা ভারতীয় উপমহাদেশে বিরল।’
আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচন থেকে পালানোর পথ খুঁজছে। তাদের সব সময় উদ্দেশ্য থাকে কীভাবে নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করা যায়। এই কথা বলে তারা নির্বাচন থেকে পালানোর পথ খুঁজছে। যেভাবে তারা নির্বাচন থেকে পালাচ্ছে তাতে তারা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে।
ইভিএম নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উনি যেটা বলতে চেয়েছেন তা হলো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহিত হলে বিরোধী দলের নির্বাচন নিয়ে যে প্রশ্নগুলো আসে , যে অভিযোগগুলো তোলেন সেগুলো তোলার সুযোগ থাকবে না। এ কথাটিকে টেনে তারা নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে যেটা সমীচীন নয়’।
সাংবাদিকরা সমাজের বিবেক উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের বিবেক হিসেবে কাজ করে। গুরুত্বপূর্ণ সব কাজ সঠিকভাবে করার জন্য গণমাধ্যমের ভূমিকা খুব গুরুত্ব বহন করে। দেশ, সমাজ এবং জনগণকে সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য সচেতন সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত অর্থবহ।
ঢাকা সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি জাকির হোসেন ইমনের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মুক্তাদির অনিকের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ডিইউজের সভাপতি আবু জাফর সূর্য, সাবেক সভাপতি আব্দুল জলিল ভুইয়া, সাব-এডিটরস কাউন্সিলের সাবেক সভাপতি মুস্তাফিজ রহমান, কায়কোবাদ মিলন, আল-মামুন সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুমন ইসলাম, সাবেক সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম।
