খুলনায় যুবকের খণ্ডিত লাশের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

আপডেট : ১২ মার্চ ২০১৯, ০২:৩৬ এএম

খুলনায় ইটভাটার ঠিকাদার হাবিবুর রহমান সবুজের (২৬) খণ্ডিত লাশের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার হয়েছে।

সোমবার সকালে নগরীর ফারাজীপাড়া লেনের একটি বাসা থেকে তার মরদেহের নাড়িভুঁড়ি ও একটি পা উদ্ধার করে র‌্যাব।

এর আগে ভোরে সবুজ হত্যায় জড়িত অভিযোগে সরদার আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ (৩৮) এবং অনুপম মহলদার (৩৪) নামে দুজনকে আটক করে র‌্যাব সদস্যরা। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সবুজের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও তার লাশের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করা হয়।              

র‌্যাব-৬ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর শামীম সরকার দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ভোর পাঁচটার দিকে সন্দেহভাজন ঘাতক আসাদুজ্জামানকে নগরীর ফুলবাড়ি গেট থেকে আটক করা হয়। প্রায় একই সময়ে বটিয়াঘাটা উপজেলার হাটবাটী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে অনুপম নামে আরেক সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়। পরে আসাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নগরীর ফারাজীপাড়া লেনে তার ভাড়া বাসা হাসনাত মঞ্জিলের নিচতলায় যায় র‌্যাব সদস্যরা। এ সময় একটি ড্রামের ভেতর থেকে সবুজের নাড়িভুঁড়ি এবং কাঠের স্তূপের নিচে পলিথিন দিয়ে প্যাঁচানো পা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া সেখানে সবুজের ব্যবহৃত নতুন একটি অ্যাপাচি মোটরসাইকেলও পাওয়া যায়।’

‘হাসনাত মঞ্জিল’ নামে বাড়িটির মালিক রেশমা খাতুন বলেন, ‘গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর আইএফআইসি ব্যাংকের কর্মকর্তা পরিচয়ে নিচতলার একটি কক্ষ ভাড়া নেন আসাদুজ্জামান। তার স্ত্রী এখানে না থাকলেও মাঝেমধ্যে আসত।’

আসাদুজ্জামান বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত নূরুল হক সরদারের ছেলে এবং অনুপম খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার হাটবাটী গ্রামের নিভান মহলদারের ছেলে।

এর আগে গত ৭ মার্চ সকালে নগরীর শের-ই বাংলা সড়কের বলাকা ক্লাবের সামনে থেকে পলিথিনে মোড়ানো সবুজের লাশের খণ্ডিত একটি অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই দিনই দুপুরে ফারাজীপাড়া সড়কে নর্দমার পাশ থেকে দুটি ব্যাগে থাকা তার মাথা ও দুই হাতসহ সাতটি খণ্ডিত অংশ উদ্ধার হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত