ডাকসু নিয়ে ঢাবি প্রশাসন

নির্বাচন খুবই সুষ্ঠু ও আনন্দঘন হয়েছে

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০১৯, ০২:৪২ এএম

কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ অস্বীকার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দাবি করেছে, যে অভিযোগ তোলা হয়েছে সে বিষয়ে কারও কাছে কোনো প্রমাণ নেই। গতকাল শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা

ছাড়া ১১ মার্চের ডাকসু নির্বাচন খুবই সুষ্ঠু হয়েছে। শিক্ষার্থীরা আনন্দঘন পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। এতে ভোটের দিন ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে বলা হয়েছে, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে কিছু সম্মানিত ব্যক্তি টকশোতে এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ও মন্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। ডাকসু নির্বাচনে ৪৫০ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী মিলে টিমওয়ার্কের মাধ্যমে সমষ্টিগতভাব  বিভিন্ন পর্বের কাজে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। এখানে এককভাবে বা বিচ্ছিন্নভাবে কারও কোনো কাজের সুযোগ ছিল না।

বিজ্ঞপ্তিতে ভোট না দিতে পারার অভিযোগের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, কেউ ভোট দিতে পারেননি, কারও ভোট অন্য কেউ দিয়েছেন, কেউ হেনস্তার শিকার হয়েছেনÑ এমন কোনো অভিযোগ কোনো রিটার্নিং অফিসার পাননি। দীর্ঘ লাইনের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ লাইন, কালক্ষেপণ প্রভৃতি বিষয়ে উত্থাপিত বিভিন্ন মন্তব্যকে হল প্রশাসন বিবেচনায় রেখেছিল। যাতে কোনো কৃত্রিম সংকট তৈরি বা ভোগান্তি না হয় সেজন্য ভোট দেওয়ার সময় ও ভোটার সংখ্যা আমলে নিয়ে পর্যাপ্ত সংখ্যক বুথ তৈরি ও ব্যালট পেপার সরবরাহ এবং টেবিল স্থাপন করা হয়েছিল।

বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের ঘটনা নিয়ে বলা হয়েছে, এ হলে একটি অনাকাক্সিক্ষত ও অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে। অবশ্য ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্বেই এটি চিহ্নিত হওয়ায় বড় ধরনের কর্ম বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়। ভোটকেন্দ্রের বুথ সংলগ্ন একটি কক্ষ থেকে ব্যবহৃত (সিল মারা!) ব্যালটভর্তি একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি উপাচার্য মহোদয় অবহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি ওই হলের ভোটগ্রহণ কার্যক্রম স্থগিত করার নির্দেশ দেন। রোকেয়া হলের ঘটনার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, অত্যন্ত বিভ্রান্তিকরভাবে রোকেয়া হলে ব্যালট পেপার উদ্ধারের কথা বলা হয়। মূলত ওই ব্যালট পেপার ব্যালট বাক্সে ছিল না। 

কারও কাছে কারচুপির প্রমাণ থাকলে তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভোটে কোনো অনিয়ম, অসততা, কারচুপি, জালিয়াতি প্রভৃতির বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণ যদি কারও কাছে থাকে, তা হলে সেসব সুনির্দিষ্টভাবে বিশ্ববিদ্যালয়কে অবহিত করলে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এরমধ্যে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী/প্যানেল থেকে প্রাপ্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত