ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে আত্মপ্রকাশ কবে থেকে?
রাইফেলস ডিজাইন ইনস্টিটিউটে ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে পড়াকালে নিজের নকশা করা পোশাকের ওপর ২০১১ সালের শেষে এবং ২০১২ সালের শুরুতে দুটি শো করি। তখন থেকেই ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে যাত্রা। কিন্তু পেশাগত ডিজাইনার হিসেবে ২০১৬ থেকে কাজ শুরু করি।
শুরুটা কেমন ছিল?
শুরুটা বেশ মজার ছিল। এক বন্ধুর সহযোগিতায় ঘরে বসে কিছু নকশা করা শুরু করলাম। প্রথমে নিজের ভাবনা নিয়ে দুটি ব্যাগ তৈরি করলাম, যা বেশ প্রশংসিত হয়। তারপর তা নিয়ে এক্সিবিশন করলাম। এতে অনেকের নজর কাড়ে। নিজেই বুঝতে পারলাম আমার মধ্যে এই ডিজাইনিং নিয়ে কিছু একটা আছে, যা পরে আমাকে ফ্যাশন ডিজাইনিং নিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করে।
কী ধরনের ডিজাইন করেন?
আমি ফিউশন কাজ করতে পছন্দ করি। আমি ফ্যাশনে নতুন নতুন ভাবনা আবিষ্কার করতে ভালোবাসি। মূলত বিভিন্ন থিম এবং কাস্টমাইজিং কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।
কোন কাজটি প্রশংসিত হয়েছে?
বাংলাদেশ ফ্যাশন উইকে আমার প্রদর্শিত মিলিটারি ফ্যাশন বেশ প্রশংসা পেয়েছে। এ দেশের ফ্যাশন ডিজাইনাররা একে বেশ অনুপ্রাণিত করেছেন, যা আমার জীবনে একটি বড় অর্জন।
পোশাকে মিলিটারি ফ্যাশন বিষয়টি চিন্তায় এলো কবে ও কেন?
পোশাকের বিভিন্ন থিম নিয়ে গবেষণার পর কাজ করে থাকি। এই গবেষণা করতে গিয়ে দেখলাম বিশ্বের অনেক দেশে মিলিটারি ফ্যাশন নিয়ে কাজ করা হলেও এ দেশে কেউ করেননি। আর করলেও সীমিত আকারে। তখন থেকেই আমার মিলিটারি ফ্যাশন নিয়ে ভাবনা শুরু। যে ভাবনার প্রকাশ ঘটে বাংলাদেশ ফ্যাশন উইক ২০১৯-এ।
এ দেশের পোশাকে মিলিটারি ট্রেন্ড কি ইস্ট ওয়েস্টের মেলবন্ধন?
আমার কালেকশনের পোশাকগুলো সব ফিউশন নিয়ে ডিজাইন করেছি, যা অবশ্যই প্রাচ্য এবং পাশ্চাত্যের মিশেল। বিশ্বায়নের এই যুগে মেলবন্ধন তো হবেই।
