প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে ফ্রিল্যান্স কোচিং সেন্টারের কেউ জড়িত নন, তাই পাবলিক পরীক্ষার সময় ফ্রিল্যান্স কোচিং সেন্টার খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অব শ্যাডো এডুকেশন বাংলাদেশ (এসেব)। একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁসের শেকড় অনুসন্ধানে সরকারকে আহ্বান জানিয়ে ঢালাওভাবে কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরেন অ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ। গতকাল বুধবার রাজধানীর ফার্মগেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শ্যাডো এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মো. ইমাদুল হক (ই. হক স্যার) ও যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান সোহাগ এ দাবি করেন।
লিখিত বক্তব্যে ইমাদুল হক বলেন, এসএসসি পরীক্ষার সময় ঢালাওভাবে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার ফলে উচ্চমাধ্যমিক, জেএসসি, প্রাথমিক সমাপনী ও ইংরেজি শেখানোর কোচিং শিক্ষার্থীসহ অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যা কাম্য নয়। গত দুই বছর ধরে এসএসসি, এইচএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার সময় ফ্রিল্যান্স কোচিং সেন্টারসহ সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখা হচ্ছে। এর ফলে ফ্রিল্যান্স কোচিং সেন্টারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তিনি বলেন, পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন থেকে শুরু করে মডারেশন, টাইপ করা, ছাপানো, কেন্দ্রে পাঠানোÑ এর কোনোকিছুতেই কোচিং সেন্টারের সংশ্লিষ্টতা নেই। এ ছাড়া পরীক্ষার খাতা পরীক্ষকদের মধ্যে বিতরণ ও নম্বর প্রদানসহ যত কর্মকাণ্ড আছে তাতেও কোচিং সেন্টারের কোনো ভূমিকা নেই। ২০১৭ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ১৯০ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাদের কেউই কোচিং সেন্টারের সঙ্গে জড়িত নন। তাহলে কেন কোচিং সেন্টারগুলো বন্ধ রাখা হচ্ছে? সংগঠনটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও উদ্ভাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদুল হাসান সোহাগ বলেন, ‘দেশের কোচিং সেন্টারগুলো একটি নীতিমালার অধীনে আনা হোক। নীতিমালা করলে তা মেনে সেন্টারগুলো তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করত।’
