‘দুপুর ১টায় স্বামী আমারে কল দিয়া কয়, আমার জন্য দোয়া কইরো। অফিসে আগুন লাগছে। আমার শ্বাস বন্ধ হইয়া যাইতাছে। হ্যার পর ফোন বন্ধ। স্বামীরে সব মেডিকেল খুঁজলাম পাইলাম না’।
এসব বলতে বলতে কাঁদতে শুরু করলেন ইমি আক্তার পলী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের কাছে নিজের স্বামীর সর্বশেষ খবর বলছিলেন তিনি।
পলির স্বামী মির্জা আতিকুর রহমান চাকরি করতেন বনানীর এফ আর টাওয়ারে অবস্থিত স্ক্যান অয়েল লজিস্টিক সাপোর্ট লিমিটেডে। দুপুরে যখন ওই ভবনে অগ্নিকাণ্ড ঘটে তখন তিনি সেখানে কর্মরত ছিলেন।
পলী বলেন, ‘সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেছি। কেউ সন্ধান দিতে পারছে না আমার স্বামীর। আমারে একটু সাহায্য করেন ভাই। হ্যার খবরটা একটু ছাপাইয়া দেন। যাতে তারে সন্ধান পাইলে আমারে জানায়’।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর বনানীর এফ আর টাওয়ারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অন্তত শতাধিক ব্যক্তি।
