করজাল আরও বাড়বে : এনবিআর

আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০১৯, ১১:৫১ পিএম

সকল ইলেকট্রনিক কর শনাক্তকরণ নম্বরধারীর (ইটিআইএন) আয়কর বিবরণী (রিটার্ন) দাখিল নিশ্চিত করতে কর আইনজীবী ও সনদধারী হিসাববিদসহ সংশ্লিষ্ট  পেশাজীবীদের সহযোগিতা চেয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূইয়া।

তিনি বলেন, ‘অনেক ইটিআইএনধারী রিটার্ন দাখিল করেন না। তারা যাতে রিটার্ন দাখিল করেন বা তাদের করের আওতায় আনা যায়, সেক্ষেত্রে পেশাজীবীরা সহযোগিতা করতে পারেন। তাই সকল ইটিআইএনধারীর রিটার্ন দাখিল নিশ্চিত করতে আপনাদের সহযোগিতা চাই।’ বর্তমানে ৩৮ লাখ ইটিআইএনধারীর মধ্যে রিটার্ন দাখিল করেন মাত্র ২০ লাখ।

গতকাল সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রাজস্ব ভবন সম্মেলনকক্ষে আসন্ন ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় সভাপতির বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

আলোচনায় কর আইনজীবী, সিঅ্যান্ডএফ, শিপিং ফ্রেইট ফরওয়ার্ডিং, আইসিএমএবি, আইসিএবি, স্থপতি, ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিয়েটসহ সহায়ক পেশাজীবীদের সংগঠনগুলো অংশ নেয়।

 মোশাররফ হোসেন ভূইয়া বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে করজাল সম্প্রসারণের চেষ্টা রয়েছে। কিন্তু পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় অনেক সময় আমরা সবকিছু করতে পারি না। সেক্ষেত্রে আপনারা আমাদের সহযোগিতা করতে পারেন। করজাল সম্প্রসারণে আপনারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।’

তিনি বলেন, দেশের অগ্রগতি-উন্নতির জন্য বেশি রাজস্ব প্রয়োজন। তাই যত বেশি রাজস্ব আহরণ করা যাবে, তত পরিকল্পিত উন্নয়ন সম্ভব হবে। সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্য অনুযায়ী রাজস্ব আহরণে আপনারা করদাতাদের সঠিকভাবে কর পরিশোধের পরামর্শ দেবেন। প্রাক-বাজেট আলোচনায় ঢাকা ট্যাকসেস বার অ্যাসোসিয়েশন ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা আড়াই লাখ টাকার পরিবর্তে তিন লাখ টাকা করা এবং ব্যক্তিশ্রেণির নিট পরিসম্পদের মূল্যমান সাড়ে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত সারচার্জ আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে।

সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, শিল্প স্থাপনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ১ বছরের মধ্যে আমদানির বিধান রয়েছে। সেটা সংশোধন করে আমদানির সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দেন তারা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত