বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, চোখের সামনে অন্যায় দেখে মানুষ যাতে তার প্রতিবাদ না করে সেজন্য সরকার হামলা, মামলা ও গ্রেপ্তারের তৎপরতা সীমাহীন মাত্রায় বৃদ্ধি করেছে। সরকারের এমন ফ্যাসিবাদী আচরণ দেশকে ক্রমান্বয়ে ভয়াবহ নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালী ও অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম মামলার হাজিরা দিতে গেলে গতকাল আদালত তাদের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়। বিবৃতিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের মানুষ আজ অধিকারহারা। তাদের সাংবিধানিক অধিকারগুলোকে ধুলায় লুটিয়ে দিয়েছে সরকার। দেশে এক ভয়ের রাজত্ব কায়েম হয়েছে। চোখের সামনে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে কেউ যাতে সাহসী না হয় সেজন্য ক্ষমতাসীন সরকার হামলা, মামলা ও গ্রেপ্তারের তৎপরতা সীমাহীন মাত্রায় বৃদ্ধি করেছে।
তিনি বলেন, বর্তমান আওয়ামী সরকার মানুষের ভোটের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক অধিকারকে উপেক্ষা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করতে বিরোধী দল ও মত দমনে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। বিরামহীন গতিতে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও কাল্পনিক কাহিনী তৈরির মাধ্যমে মামলা দেওয়া হচ্ছে। এরপর করা হচ্ছে কারান্তরীণ। মির্জা আলমগীর বলেন, সব অপকর্ম ও দুঃশাসনের জন্য বর্তমান সরকারকে জনগণের কাছে জবাবদিহি করার সময় অত্যন্ত সন্নিকটে। জনগণ আর হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না। বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব অবিলম্বে রফিকুল ইসলাম হিলালী ও অধ্যাপক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে করা ‘অসত্য মামলা’ প্রত্যাহার করে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির জোর দাবি জানান।
