১২ মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিলের সিদ্ধান্ত হাইকোর্টে স্থগিত

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৯, ০৩:২০ এএম

ফরিদপুরের ১২ মুক্তিযোদ্ধার সনদ ও তাদের স্বীকৃতি দিয়ে প্রকাশিত গেজেট বাতিলের জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সিদ্ধান্ত ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি জামুকার ওই সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত। ওই ১২ জনের করা পৃথক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গতকাল সোমবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেয়।

চার সপ্তাহের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) চেয়ারম্যান, মহাপরিচালক, সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও ফরিদপুরের জেলা প্রশাসককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী অমিত দাশগুপ্ত; রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

আইনজীবী অমিত বলেন, ২০১৮ সালের জুলাইতে ১২ জনকে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বলে অভিযোগ আনা হয়। শুনানি শেষে তাদের গেজেট ও সনদ বাতিলের জন্য জামুকা সভায় উপস্থাপনের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। ওই বছরের ১১ নভেম্বর জামুকার ৬০তম সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করার পর জামুকার চেয়ারম্যানের নির্দেশে ১২ জনের গেজেট ও সনদ বাতিল সংক্রান্ত স্মারক ২৬ ডিসেম্বর মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

তিনি বলেন, এই ১২ জন গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা। লাল মুক্তিবার্তায়ও তাদের বেশিরভাগের নাম রয়েছে। কিন্তু অভিযোগের ভিত্তিতে জামুকা তাদের সনদ বাতিলের জন্য মন্ত্রণালয়ে স্মারক পাঠায়। জামুকার এ সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ফরিদপুরের সদরপুরের হারুন অর রশিদসহ ৫ জন এবং একই উপজেলার মো. মজিবুর রহমানসহ ৭ জন গত ৪ এপ্রিল হাইকোর্টে পৃথক রিট আবেদন করেন। আদালত রুল জারি করে জামুকার ওই সিদ্ধান্ত ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত