অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর শরীর গরম পানিতে ঝলসে দেওয়া পাষণ্ড স্বামী সুজন মিয়া (২৩)কে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ আশুলিয়া থেকে মঙ্গলবার ভোরে গ্রেপ্তার করেছে।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত রোববার দুপুরে গামছা অপরিষ্কার কেন্দ্র করে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেউথা গ্রামের আব্দুল বাতেনের ছেলে সুজন মিয়া তার স্ত্রী লতা আক্তারের (১৮) শরীরে গরম পানি ঢেলে দেয়। পরে মেয়েটির বাবা বিশা খাঁ সেখান থেকে লতাকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনার একদিন পর সোমবার অন্তঃসত্ত্বা লতা আক্তারের বাবা বিশা খাঁ বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা করেন।
মামলার একদিন পর মঙ্গলবার ভোর রাতে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশের একটি টিম ঢাকার আশুলিয়া এলাকা থেকে অভিযুক্ত স্বামী সুজন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে তার দায় স্বীকার করেছে।
মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার লুৎফর রহমান মঙ্গলবার দুপুরে বলেন, গরম পানিতে ওই গৃহবধূর ৩০ শতাংশ শরীর ঝলসে গেছে। অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ লতা আক্তারকে মঙ্গলবার অবজারভেশনে রাখা হয়েছে।
গৃহবধূর পিতা বিশা খাঁ বলেন, আমার মেয়ে প্রায় ৪ মাসের অন্তঃসত্তা। এক বছর আগে সদর উপজেলা বেউথা গ্রামে আব্দুল বাতেনের ছেলে সুজন মিয়ার (২৩) সঙ্গে তার মেয়ের বিয়ে হয়। পেশায় রাজমিস্ত্রি সুজন বিয়ের পর থেকে তার মেয়েকে বিভিন্ন অজুহাতে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিল।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জমান বলেন, আসামি সুজন মিয়াকে মঙ্গলবার ভোরে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
