বিশ্বজুড়ে আলোচিত ওয়েবসাইট উইকিলিকসের সহপ্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের মুক্তি দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।
শুক্রবার রাতে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করেন তিনি।
ওই পোস্টে মঈন খান মন্ত্রী থাকাকালে অ্যাসাঞ্জ তার নিজের দায়িত্ব পালন-সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ করেছিলেন বলে দাবি করেন।
গত বৃহস্পতিবার লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাস থেকে গ্রেপ্তার করা হয় অ্যাসাঞ্জকে। সাত বছর ধরে ইকুয়েডরে রাজনৈতিক পুনর্বাসনে ছিলেন তিনি।
মঈন খান বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অ্যাসাঞ্জের মুক্তির দাবিতে ড. মঈন খান তার ফেসবুকে লেখেন, ‘জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ আমার দায়িত্ব পালন সম্পর্কিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাষ্ট্রীয় সংবেদনশীল তথ্যও প্রকাশ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও তার আপসহীন নীতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই ও অবিলম্বে তার মুক্তি কামনা করি।’
অ্যাসাঞ্জের পুরোনো একটি ছবি ও আটকের পরের একটি ছবি পোস্ট করে মঈন খান লিখেছেন, ‘উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, তখন এবং সাত বছর প্রায় বন্দী নিঃসঙ্গ জীবনযাপনের পর। লক্ষ্য করুন- ৭ বছরের ব্যবধানে একি পরিবর্তন? মাত্র ৪৭ বৎসর বয়সে মনে হচ্ছে ৬৭ বৎসর বয়সের বৃদ্ধ!’
তিনি আরো লিখেছেন, ‘কথা বলার স্বাধীনতা ও সত্য প্রকাশের এক সাহসী সৈনিককে আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিজের অন্যায়কে ঢাকার জন্য নিরাপত্তার অজুহাত দিয়ে কীভাবে প্রায় নিঃশেষ করে দিয়েছে!!!’
প্রসঙ্গত, অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক অ্যাসাঞ্জ ২০১০ সালে পেন্টাগন ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লাখ লাখ সামরিক এবং কূটনৈতিক গোপন নথি ফাঁস করে দিয়ে বিশ্বজুড়ে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। ২০০৬ সালে কয়েকজন সঙ্গী নিয়ে অ্যাসাঞ্জ ওয়েবসাইট উইকিলিকস চালু করেন। ২০১০ সালে উইকিলিকস বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তুলতে সক্ষম হয়। ২০১২ সাল থেকে লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে আছেন তিনি।
