রাজশাহীর কয়েকটি উপজেলায় ধানের জমি কেটে পুকুর খনন করা হচ্ছে। এই পুকুর খননের ওপর হাইকোর্টও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। সেখানে আনুমানিক ২০টির মতো পুকুর খননের কাজ চলছে। এক শ্রেণির প্রভাবশালী মৎস্য ব্যবসায়ী সাধারণ মানুষকে বেশি টাকার লোভ দেখিয়ে ফসলি জমিতে এক্সকেভেটরের মাধ্যমে রাতারাতি পুকুর খনন করছে। কেউ তাদের থামাতে পারছে না। প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। পত্রিকার প্রতিবেদন থেকে হাইকোর্টের রিটের সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর চারটি উপজেলায় কৃষিজমি নষ্ট করে অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একটি মানবাধিকার সংগঠনের রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ মার্চ ২০১৯ শুনানি শেষে এই আদেশ দেয় আদালত। রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ি, পবা, মোহনপুর ও পুঠিয়া উপজেলায় এইসব অবৈধ পুকুর খনন বন্ধে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে কেউ যেন ফসলি জমি নষ্ট করে পুকুর খনন করতে না পারে সে জন্য নিয়মিত তদারকি করারও নির্দেশ দেন। কিন্তু কে শুনে কার কথা। বেশিরভাগ খননকৃত পুকুর ধানচাষের উপযোগী এবং বিভিন্ন বিলের নিচু জমি। অনেক স্থানে বর্ষা মৌসুমে বিলের পানিপ্রবাহের গতিপথে পুকুরের বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। এই ফসলি জমিগুলো রক্ষা করা দরকার। অবিলম্বে এই অপতৎপরতা বন্ধের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
শতাব্দী জুবায়ের, শিক্ষার্থী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
