প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ দিয়ে তার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ফেনীর সোনাগাজী মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির বাবা মাওলানা একেএম মুসা মানিক।
স্থানীয় সাপ্তাহিক পত্রিকা হকার্সের সংবাদকর্মীরা নুসরাতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করতে তিনি প্রধানমন্ত্রীর জন্য এ কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এসব বলেন।
মাদ্রাসা অধ্যক্ষ সিরাজ উদ-দৌলার সহযোগীদের দেওয়া আগুনে পুড়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নুসরাতের খোঁজ-খবর নিয়েছেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নিতেও বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই বাংলাদেশ এবং সিঙ্গাপুরে খ্যাতনামা চিকিৎসকরা আমার মেয়ের চিকিৎসার জন্য কাজ করে গেছেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মমতায় মেয়েকে বাঁচানো যায়নি।
নুসরাতের বাবা মাওলানা মুসা মানিক আরও বলেন, ‘আমার মেয়ের মৃত্যুর পরে এ ঘটনায় জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করার জন্য দেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি নির্দেশনা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। আর তার ফলশ্রুতিতেই খুব দ্রুত তম সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছে প্রায় সব আসামি।
উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল সকালে নুসরাত আলিম শ্রেণির আরবি পরীক্ষার জন্য মাদ্রাসায় গেলে দুর্বৃত্তরা তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ঘটনায় দগ্ধ নুসরাত বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল রাতে মারা যায়।
এ ঘটনায় নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে প্রধান আসামি করে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জনকে আসামি করে ৮ এপ্রিল সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ১০ এপ্রিল থেকে মামলাটির দায়িত্ব পায় বিপিআই। এ পর্যন্ত ২০ জনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এদের মধ্যে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে ৭ জন।
